চন্দ্রগঞ্জ বাজারে জমজমাট ঈদের কেনাবেচা
রাজধানী ঢাকাসহ জেলা – উপজেলা ও গ্রামীণ হাটবাজার গুলোতে চলছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আমেজ।
ঈদুল ফিতরেকে সামনে রেখে ক্রেতা – বিক্রেতারা পার করছে ব্যস্ত সময়। ১২ তম রমজানেই গ্রামীণ হাটবাজার গুলোতে চলছে ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম। যানজট এড়াতে আগেবাগেই ক্রেতারা সেরে নিচ্ছেন ঈদ বাজার। গ্রামীণ হাটবাজার গুলোতে নারী, শিশু ও তরুণীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
দোকানীদের বিকিকিনিও বেশ ভালো। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায় ব্যস্ত সময় পার করছে ব্যাবসায়ীরা, দম পেলার সময় নেই তাদের। চন্দ্রগঞ্জ নিউমার্কেটে গার্মেন্টস আইটেম বিক্রি করা দোকান গুলোতে দেখা যায় ক্রেতাদের ব্যাপক আনাগোনা।
স্মার্ট ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন নোমানের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের এবারের ঈদের বিক্রির শুরুটা বেশ ভালো, ক্রেতার উপস্থিতিও ভালো। সুলভ মূল্যে দেশি- বিদেশি জামা কাপড় পাওয়া যায় স্মার্ট ফ্যাশন হাউসে। তবে এখানে পুরুষদের পোশাক, ই বিক্রি করা হয় বেশি।
তাইয়্যেবা ফ্যাশন হাউসের স্বত্বাধিকারী মো: ইসমাইল হোসেন ( সৌরভ) বলেন, গত ঈদের তুলনায় এবার আগেই জমে উঠেছে ঈদ বাজার। গত ঈদের তুলনায় এ ঈদে দোকানে এসেছে দেশি-বিদেশি নতুন পোশাক, দামও রয়েছে ক্রেতাদের নাগালে। এখানে নারীদের পোশাকই বেশি পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন দোকান মালিক। সরাসরি ও অনলাইনেও রয়েছে পন্য ক্রয়ের সুবিধা। খুচরা ও পাইকারী ক্রয়ের সুবিধাও রয়েছে।
উপস্থিত ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সুলভ মূল্য, পরিবহন সুবিধা, নিরাপত্তা সুবিধা, সব মিলিয়ে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সদাই করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন আশেপাশের কয়েক উপজেলার মানুষ। একটা বিষয় লক্ষ্যনীয় চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় অধিকাংশ পুরুষ প্রবাসী হওয়ায় এ বাজারের ৬০ ভাগ ক্রেতাই হচ্ছেন নারী।
তবে ঈদের বাকি রয়েছে এখনো প্রায় ১৮ দিন, মধ্যেপ্রাচ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশও পড়তে পারে বলে সংকাবোধ করছে জনসাধারণ। যুদ্ধের কারনে প্রবাসীরা ঠিক মতো বেতন ভাতা যদি না পায় তাহলে দেশে টাকা পাঠানোও অনিশ্চয়তায় পড়বে বলে মনে করেন প্রবাসী পরিবার গুলো। এতে করে ঈদ বাজারেও ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।






















