ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; গ্রেপ্তার ২ Logo খুলশীতে যৌথ অভিযানে ৬৩ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার Logo দেশের সব জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা Logo ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ Logo তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সাংবাদিকের ওপর হামলা Logo বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা, বাড়ছে বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিয়ে শঙ্কা Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চালু হবে ইলেকট্রিক ট্রেন Logo কক্সবাজারে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেপ্তার Logo চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জনের ঘোষণা আইনজীবীদের Logo জ্বালানিমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জের বাড়িতে বজ্রপাতে আগুন

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৯৫ দোকান; ক্ষতি প্রায় ১০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৯৫ দোকান; ক্ষতি প্রায় ১০ কোটি টাকা কুড়িগ্রাম, ৫ জুন: কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাজারের প্রায় ৯৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভুরুঙ্গামারী বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ীর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের দুটি এবং ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই মার্কেটের ৮০টি কাপড়ের দোকান এবং পার্শ্ববর্তী জাকের পার্টির অফিসসহ ১৫টি ফল, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ভুরুঙ্গামারী ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ঈদ উপলক্ষে অনেকেই নতুন করে মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে তাদের সবকিছু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ এবং ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান। ইউএনও অমৃত দেব নাথ জানান, প্রাথমিক তথ্যমতে ৯৫টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য বিকেলে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
৪৫৯৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৯৫ দোকান; ক্ষতি প্রায় ১০ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৬:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৯৫ দোকান; ক্ষতি প্রায় ১০ কোটি টাকা কুড়িগ্রাম, ৫ জুন: কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাজারের প্রায় ৯৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভুরুঙ্গামারী বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ীর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের দুটি এবং ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই মার্কেটের ৮০টি কাপড়ের দোকান এবং পার্শ্ববর্তী জাকের পার্টির অফিসসহ ১৫টি ফল, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ভুরুঙ্গামারী ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ঈদ উপলক্ষে অনেকেই নতুন করে মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে তাদের সবকিছু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ এবং ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান। ইউএনও অমৃত দেব নাথ জানান, প্রাথমিক তথ্যমতে ৯৫টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য বিকেলে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।