প্রবাসে থেকেও দেশের টানে—বন্ধন-১২ ও আলোকিত-১১ পরিবারের মিলনমেলায় ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত পাটওয়ারী
প্রবাসে অবস্থান করেও দেশের প্রতি ভালোবাসা, শিকড়ের প্রতি টান এবং বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে সামাজিকভাবে কিছু করার আন্তরিক ইচ্ছা—এসবের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন ১২ নং ইউনিয়নের সন্তান, আমেরিকা প্রবাসী মোঃ আলমগীর পাটওয়ারী।
দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করলেও নিজের দেশ, এলাকার মানুষ এবং বন্ধুদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি। বিশেষ করে বন্ধন-১২ ও ১১ নং আলোকিত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাঁর রয়েছে নানা পরিকল্পনা ও স্বপ্ন। সমাজের জন্য ভালো কিছু করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে বন্ধন-১২ এবং ১১ নং আলোকিত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক আনন্দঘন Family & Friends Get Together ও মিলনমেলার আয়োজন করেন মোঃ আলমগীর পাটওয়ারী।
পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মিলনমেলাটি পরিণত হয় এক আনন্দমুখর ও স্মরণীয় আয়োজনে। বিশেষ এ অনুষ্ঠানে সুদূর লন্ডন থেকে উপস্থিত হন সকলের প্রিয় হেলাল ভাই। তাঁর উপস্থিতি যেন মিলনমেলায় যোগ করে দেয় নতুন আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের মাত্রা। উপস্থিত সবার প্রাণের টানে যেন ফুটে ওঠে একটাই পরিচয়—আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য, আমাদের বন্ধন ভালোবাসার বন্ধন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এমন আয়োজন শুধু আনন্দের উপলক্ষ নয়, বরং প্রবাসে ও দেশে অবস্থানরত মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আর তাইতো সবার কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে—“আমাদের চাঁদের বাড়ি চাঁদপুর।”
এ মিলনমেলায় আরও একটি আনন্দের সংবাদ সকলের মাঝে বিশেষ গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি করে। মোঃ আলমগীর পাটওয়ারীর সন্তান আহাদ পাটওয়ারী নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাঁর এই সাফল্যে বন্ধন-১২ ও ১১ নং আলোকিত পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় আন্তরিক ভালোবাসা, শুভেচ্ছা ও দোয়া।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক মোঃ আলমগীর পাটওয়ারী উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
“আমাদের Family & Friends Get Together অনুষ্ঠানে আপনাদের মূল্যবান সময় বের করে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানটিকে আনন্দময় ও স্মরণীয় করে তোলার জন্য আপনাদের প্রতি জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আপনাদের হাসি, ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও একসঙ্গে কাটানো সুন্দর সময় আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং বিশেষ একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে। আপনাদের উপস্থিতিই আমাদের এই আয়োজনকে পূর্ণতা দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,
“আশা করি, ভবিষ্যতেও আমরা সবাই এভাবেই একসঙ্গে মিলিত হব এবং আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করব। সবার জন্য রইল আন্তরিক ভালোবাসা, দোয়া ও শুভকামনা।”
বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, পারিবারিক সম্পর্ক ও দেশের প্রতি গভীর টানের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে বন্ধন-১২ ও ১১ নং আলোকিত পরিবারের এই মিলনমেলা। দূরত্ব যতই থাকুক, হৃদয়ের বন্ধন যে মানুষকে একই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে পারে—এই আয়োজন যেন তারই উজ্জ্বল প্রমাণ।























