ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভারতের উপনির্বাচনে দুই আসনে বিজেপির ধাক্কা, প্রশান্ত কিশোরের চমক Logo অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের Logo এআই ক্যামেরার আওতায় আসছে মোটরসাইকেল, সামনেও লাগানো হবে নম্বর প্লেট Logo ‘বাংলাদেশ জনরাষ্ট্র আন্দোলন’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ Logo বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার Logo জীবদ্দশায় দান করা সম্পত্তি ভোগের অধিকার থাকবে, আইনের সংশোধনীতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন Logo দক্ষিণ নেপালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নিহত ৩, কারফিউ জারি Logo ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সবুজ শিল্পায়ন, সৌরবিদ্যুৎ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর Logo টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ তোরণে ফের অগ্নিসংযোগ, সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই

জীবদ্দশায় দান করা সম্পত্তি ভোগের অধিকার থাকবে, আইনের সংশোধনীতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্পত্তি দান করার পরও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন— এমন বিধান রেখে সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বর্তমানে প্রচলিত ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি দান করলে তার মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার গ্রহীতার কাছে চলে যায়। তবে নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর হলেও দাতা জীবদ্দশায় তা ভোগ ও ব্যবহার করার আইনগত অধিকার বজায় রাখতে পারবেন।

‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’-এর খসড়াও অনুমোদন

একই বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনটি গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো গড়ে তুলবে।

আইনটির খসড়ায় আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারকে তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের পাশাপাশি দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

ওষুধসংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
৪৫০৬ বার পড়া হয়েছে

জীবদ্দশায় দান করা সম্পত্তি ভোগের অধিকার থাকবে, আইনের সংশোধনীতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন

আপডেট সময় ০৮:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সম্পত্তি দান করার পরও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন— এমন বিধান রেখে সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বর্তমানে প্রচলিত ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি দান করলে তার মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার গ্রহীতার কাছে চলে যায়। তবে নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর হলেও দাতা জীবদ্দশায় তা ভোগ ও ব্যবহার করার আইনগত অধিকার বজায় রাখতে পারবেন।

‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’-এর খসড়াও অনুমোদন

একই বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনটি গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো গড়ে তুলবে।

আইনটির খসড়ায় আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারকে তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের পাশাপাশি দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

ওষুধসংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে।