ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক জিসান প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।

শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে এস এম ফরহাদ দাবি করেন, শুক্রবার রাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধারের পর থেকে শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধিদল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, জিসান এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ফলে নিখোঁজ বা অপহরণের অভিযোগসংক্রান্ত বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ বা অপহরণের ঘটনাকে ঘিরে এখন পর্যন্ত পুলিশের বক্তব্য ছাড়া অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তাদের কাছে নেই।

ফেসবুক পোস্টে এস এম ফরহাদ উল্লেখ করেন, মামলার বাদী লিজা আক্তারের বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের সদস্য তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যান। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি।

তার দাবি, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী লিজা আক্তার ও তার বাবাকে পুলিশের হেফাজতে পৃথকভাবে রাখা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

এস এম ফরহাদ আরও জানান, লিজার বড় বোনের ভাষ্যমতে, বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত অবগত নন। তবে তিনি জিসান ও লিজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে আগে থেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা এখনও উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী জিসান প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
৪৫৩০ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার

আপডেট সময় ০৮:৫৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক জিসান প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।

শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে এস এম ফরহাদ দাবি করেন, শুক্রবার রাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধারের পর থেকে শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধিদল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, জিসান এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ফলে নিখোঁজ বা অপহরণের অভিযোগসংক্রান্ত বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ বা অপহরণের ঘটনাকে ঘিরে এখন পর্যন্ত পুলিশের বক্তব্য ছাড়া অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তাদের কাছে নেই।

ফেসবুক পোস্টে এস এম ফরহাদ উল্লেখ করেন, মামলার বাদী লিজা আক্তারের বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের সদস্য তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যান। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি।

তার দাবি, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী লিজা আক্তার ও তার বাবাকে পুলিশের হেফাজতে পৃথকভাবে রাখা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

এস এম ফরহাদ আরও জানান, লিজার বড় বোনের ভাষ্যমতে, বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত অবগত নন। তবে তিনি জিসান ও লিজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে আগে থেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা এখনও উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী জিসান প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।