ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সুখী জীবনের মন্ত্র শেখাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের মাওরি সংস্কৃতির ‘মানাআকিতাঙ্গা’ Logo আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ শব্দচয়ন ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ Logo সিরাজগঞ্জে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে যুবলীগের মিছিল, তদন্তের নির্দেশ ডিআইজির Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫৮১ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা-গাঁজাসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার Logo অপপ্রচার না করে জনগণের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিন: আমিনুল হক Logo টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চলবে: ডিএনসিসি প্রশাসক Logo স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬, বাড়তে পারে প্রাণহানি Logo ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের পক্ষে পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক জিসান প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।

শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে এস এম ফরহাদ দাবি করেন, শুক্রবার রাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধারের পর থেকে শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধিদল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, জিসান এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ফলে নিখোঁজ বা অপহরণের অভিযোগসংক্রান্ত বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ বা অপহরণের ঘটনাকে ঘিরে এখন পর্যন্ত পুলিশের বক্তব্য ছাড়া অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তাদের কাছে নেই।

ফেসবুক পোস্টে এস এম ফরহাদ উল্লেখ করেন, মামলার বাদী লিজা আক্তারের বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের সদস্য তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যান। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি।

তার দাবি, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী লিজা আক্তার ও তার বাবাকে পুলিশের হেফাজতে পৃথকভাবে রাখা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

এস এম ফরহাদ আরও জানান, লিজার বড় বোনের ভাষ্যমতে, বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত অবগত নন। তবে তিনি জিসান ও লিজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে আগে থেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা এখনও উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী জিসান প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
৪৬১৫ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার

আপডেট সময় ০৮:৫৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক জিসান প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।

শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে এস এম ফরহাদ দাবি করেন, শুক্রবার রাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধারের পর থেকে শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধিদল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, জিসান এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ফলে নিখোঁজ বা অপহরণের অভিযোগসংক্রান্ত বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ বা অপহরণের ঘটনাকে ঘিরে এখন পর্যন্ত পুলিশের বক্তব্য ছাড়া অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তাদের কাছে নেই।

ফেসবুক পোস্টে এস এম ফরহাদ উল্লেখ করেন, মামলার বাদী লিজা আক্তারের বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের সদস্য তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যান। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি।

তার দাবি, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী লিজা আক্তার ও তার বাবাকে পুলিশের হেফাজতে পৃথকভাবে রাখা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

এস এম ফরহাদ আরও জানান, লিজার বড় বোনের ভাষ্যমতে, বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা বিস্তারিত অবগত নন। তবে তিনি জিসান ও লিজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে আগে থেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা এখনও উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী জিসান প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।