ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি নাহিদ ইসলামের Logo পাবনায় হাটের ইজারাদারসহ দুজনকে গুলি করে হত্যা Logo জাপান থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo সুখী জীবনের মন্ত্র শেখাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের মাওরি সংস্কৃতির ‘মানাআকিতাঙ্গা’ Logo আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ শব্দচয়ন ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ Logo সিরাজগঞ্জে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে যুবলীগের মিছিল, তদন্তের নির্দেশ ডিআইজির Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫৮১ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা-গাঁজাসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার Logo অপপ্রচার না করে জনগণের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিন: আমিনুল হক Logo টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, নিজস্ব প্রতিবেদক

জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী জরিপের মাধ্যমে নতুন মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেট ও প্রকৃত বাজারদরের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। এর ফলে জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে এবং মৌজাভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নতুন মূল্য নির্ধারণের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, কৃষিজমি ও অন্যান্য শ্রেণির জমির জন্য পৃথক মূল্যায়ন করা হবে। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মৌজা রেট পুনর্নির্ধারণ করা হলে সম্পদের প্রকৃত মূল্য প্রতিফলিত হবে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।

অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য, মৌজা রেট বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনা গেলে জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। একই সঙ্গে কর ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ আরও শক্তিশালী হবে।

বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন, জহির উদ্দিন স্বপন, আ ন ম এহছানুল হক, জোনায়েদ সাকি, নাসিমুল গনি, ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, মো. আবদুর রহমান খান এবং মো. মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সরকারের আশা, মৌজা রেট পুনর্নির্ধারণের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জমি ও আবাসন খাতে লেনদেন আরও স্বচ্ছ হবে এবং রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
৪৫৯৬ বার পড়া হয়েছে

বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী জরিপের মাধ্যমে নতুন মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেট ও প্রকৃত বাজারদরের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। এর ফলে জমি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে এবং মৌজাভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে নতুন মূল্য নির্ধারণের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, কৃষিজমি ও অন্যান্য শ্রেণির জমির জন্য পৃথক মূল্যায়ন করা হবে। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মৌজা রেট পুনর্নির্ধারণ করা হলে সম্পদের প্রকৃত মূল্য প্রতিফলিত হবে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।

অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য, মৌজা রেট বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনা গেলে জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। একই সঙ্গে কর ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ আরও শক্তিশালী হবে।

বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন, জহির উদ্দিন স্বপন, আ ন ম এহছানুল হক, জোনায়েদ সাকি, নাসিমুল গনি, ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, মো. আবদুর রহমান খান এবং মো. মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সরকারের আশা, মৌজা রেট পুনর্নির্ধারণের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জমি ও আবাসন খাতে লেনদেন আরও স্বচ্ছ হবে এবং রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।