ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: রণধীর জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক বা সমর্থন নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলন বা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি সংস্থা বা গণমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সম্পর্কে যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা বা সমর্থন নেই।

রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, আঞ্চলিক পরিস্থিতির আলোকে ভারত নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে সেগুলোকে জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ওই অনুষ্ঠানে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছিল, তখন ভারতের মাটিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবে নিহতদের স্মৃতির প্রতি অসম্মান।

এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জাতিসংঘ-প্রতিষ্ঠিত তথ্যকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টাকে ইতিহাস বিকৃতির ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের জনগণ অতীতের মতো এবারও এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
৪৫৭৬ বার পড়া হয়েছে

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: রণধীর জয়সওয়াল

আপডেট সময় ০৭:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক বা সমর্থন নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলন বা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি সংস্থা বা গণমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সম্পর্কে যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা বা সমর্থন নেই।

রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, আঞ্চলিক পরিস্থিতির আলোকে ভারত নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে সেগুলোকে জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ওই অনুষ্ঠানে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছিল, তখন ভারতের মাটিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবে নিহতদের স্মৃতির প্রতি অসম্মান।

এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জাতিসংঘ-প্রতিষ্ঠিত তথ্যকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টাকে ইতিহাস বিকৃতির ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের জনগণ অতীতের মতো এবারও এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।