ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকালে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেস এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে সংসদ অভিমুখে মিছিলের একদিন পর কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়াতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ চলাকালে রাহুল গান্ধী ঘোষণা দেন, তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাতভর অবস্থান করবেন। তবে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে দিল্লি পুলিশ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী নেতাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ সরিয়ে নিতে গেলে রাহুল গান্ধী রাস্তায় বসে পড়েন এবং স্থান ত্যাগে অস্বীকৃতি জানান। পরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা গেছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, সোমবার তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো সহিংসতার জবাব চাইতেই তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

এ ঘটনায় দিল্লি পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
৪৫৮৬ বার পড়া হয়েছে

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক।

আপডেট সময় ১০:২০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকালে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

মঙ্গলবার নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেস এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে সংসদ অভিমুখে মিছিলের একদিন পর কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়াতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ চলাকালে রাহুল গান্ধী ঘোষণা দেন, তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাতভর অবস্থান করবেন। তবে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে দিল্লি পুলিশ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী নেতাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ সরিয়ে নিতে গেলে রাহুল গান্ধী রাস্তায় বসে পড়েন এবং স্থান ত্যাগে অস্বীকৃতি জানান। পরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা গেছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, সোমবার তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো সহিংসতার জবাব চাইতেই তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

এ ঘটনায় দিল্লি পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানায়নি।