ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

অক্টোবর লক্ষ্য ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি, বলছে ইসি

নিজস্ব প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে আগামী অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক, ব্যালট বাক্স এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে নির্বাচন ব্যয় কিছুটা কমানো যায় কি না, সেটিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

রোববার সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের এক সভায় চার নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।

সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাড়ে চার হাজার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কোন নির্বাচন আগে এবং কোনটি পরে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, “নির্বাচন যদি অক্টোবর থেকে হয়, কিংবা নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়, আমরা অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। অক্টোবর মাসে ভোট হলে তার অন্তত ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।”

ইসি জানিয়েছে, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়া নেওয়া হবে না।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ব্যালট বাক্স প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের নিয়োগের প্রস্তুতিও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সভায় লজিস্টিক, ভোটার তালিকা, নির্বাচন পরিচালনার আইন-কানুনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হবে না। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, “নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও রাজনৈতিক দলগুলো সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই তাদের মতামত জানতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয় সরকারের পাঁচ ধরনের নির্বাচনের জন্য খসড়া আচরণবিধি ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্টদের ৩০ জুনের মধ্যে মতামত দিতে বলা হয়েছে।

মাছউদ বলেন, গ্রহণযোগ্য মতামত পাওয়া গেলে তা অন্তর্ভুক্ত করে প্রায় ১৫ দিনের মধ্যেই আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

এদিকে বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, “সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকেরা একসঙ্গে দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, সেটি আমরা বিবেচনা করছি। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
৪৫৭৬ বার পড়া হয়েছে

অক্টোবর লক্ষ্য ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি, বলছে ইসি

আপডেট সময় ০৮:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে আগামী অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক, ব্যালট বাক্স এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে নির্বাচন ব্যয় কিছুটা কমানো যায় কি না, সেটিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

রোববার সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের এক সভায় চার নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।

সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাড়ে চার হাজার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কোন নির্বাচন আগে এবং কোনটি পরে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, “নির্বাচন যদি অক্টোবর থেকে হয়, কিংবা নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়, আমরা অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। অক্টোবর মাসে ভোট হলে তার অন্তত ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।”

ইসি জানিয়েছে, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়া নেওয়া হবে না।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ব্যালট বাক্স প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের নিয়োগের প্রস্তুতিও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সভায় লজিস্টিক, ভোটার তালিকা, নির্বাচন পরিচালনার আইন-কানুনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হবে না। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, “নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও রাজনৈতিক দলগুলো সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই তাদের মতামত জানতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয় সরকারের পাঁচ ধরনের নির্বাচনের জন্য খসড়া আচরণবিধি ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্টদের ৩০ জুনের মধ্যে মতামত দিতে বলা হয়েছে।

মাছউদ বলেন, গ্রহণযোগ্য মতামত পাওয়া গেলে তা অন্তর্ভুক্ত করে প্রায় ১৫ দিনের মধ্যেই আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

এদিকে বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, “সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকেরা একসঙ্গে দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, সেটি আমরা বিবেচনা করছি। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।”