ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই দুর্গাপূজার মূল দর্শন: রাষ্ট্রপতি Logo আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় ৩৪০৯ কোটি টাকা Logo ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮ Logo ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতা, নিহত ১, গ্রেপ্তার ১,৮০০ Logo এনসিপির ৯ জেলা ও মহানগর কমিটি স্থগিত Logo প্রতিদিন এক কাঁধে ব্যাগ বহন করছেন? ঘাড়-পিঠে বাড়তে পারে ব্যথা Logo ২০২৭ বিশ্বকাপ জিতে ট্রফি খরা কাটাতে চায় পাকিস্তান: ফখর জামান Logo গ্রেপ্তারের একদিন পর শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেলেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে Logo ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত Logo ট্রেড লাইসেন্স হবে একক অনলাইন পোর্টালে, যৌথ পরিদর্শনের পরিকল্পনা

আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় ৩৪০৯ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন স্থানে সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ প্রকল্পে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, ২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয়ে অফিস করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সচিবালয় স্থানান্তর প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ১৭ দশমিক ৫৭ একর জমিতে মোট ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি ভবন নির্মিত হয়েছে স্বাধীনতার আগে। পুরোনো ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবন ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়। এসব ভবন ভূমিকম্প সহনশীল করে নির্মাণ করা হয়নি।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবহারযোগ্য স্থান না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

ভবনগুলোতে পর্যাপ্তসংখ্যক ওয়াশ-ব্লক না থাকায় এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস রয়েছে প্রায় ১৮ দশমিক ৭৬ লাখ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স্থান চাহিদা পূরণ এবং সচিবালয় কমপাউন্ডের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কার্যালয়ের স্থান সংকুলানের জন্য আরও ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন।

এসব সমস্যা সমাধান এবং সরকারি দপ্তরগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ও উপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
৪৫০২ বার পড়া হয়েছে

আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় ৩৪০৯ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৮:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন স্থানে সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ প্রকল্পে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, ২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয়ে অফিস করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সচিবালয় স্থানান্তর প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ১৭ দশমিক ৫৭ একর জমিতে মোট ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি ভবন নির্মিত হয়েছে স্বাধীনতার আগে। পুরোনো ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবন ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়। এসব ভবন ভূমিকম্প সহনশীল করে নির্মাণ করা হয়নি।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবহারযোগ্য স্থান না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

ভবনগুলোতে পর্যাপ্তসংখ্যক ওয়াশ-ব্লক না থাকায় এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস রয়েছে প্রায় ১৮ দশমিক ৭৬ লাখ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স্থান চাহিদা পূরণ এবং সচিবালয় কমপাউন্ডের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কার্যালয়ের স্থান সংকুলানের জন্য আরও ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন।

এসব সমস্যা সমাধান এবং সরকারি দপ্তরগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ও উপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।