ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান, দুই দালালের কারাদণ্ড Logo তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনেও গণভোটের বিধান ফিরছে Logo ক্রীড়া কার্ডে স্বাস্থ্যসেবাসহ সব নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা, গণমাধ্যমকে জানানোর আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৯৬ Logo মোদির সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি গেলেন ভারতের হাইকমিশনার Logo আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে যাচ্ছেন মেসি Logo ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজ ভূপাতিতের প্রস্তুতি নিয়েছিল ইসরায়েল Logo আদালত থেকে ফের পালালেন হত্যা মামলার আসামি Logo চতুর্থ শ্রেণি থেকে পাঠ্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ বিষয় হিসেবে খেলাধুলা

মোদির সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি গেলেন ভারতের হাইকমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী অনির্ধারিত সফরে দিল্লি গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে তাদের মধ্যে বৈঠক হয়।

দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ে ঢাকার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বার্তা দিতেই দীনেশ ত্রিবেদী দিল্লি গেছেন।

সোমবার রাতে ঢাকার একটি ফ্লাইটে দিল্লিতে পৌঁছান ভারতের হাইকমিশনার। তবে তার সফর ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের একজন রাজনৈতিক নিয়োগপ্রাপ্ত কূটনীতিক। গত এপ্রিলে তাকে বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং দীর্ঘদিনের রাজনীতিক।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, তারেক রহমানের ভারত সফর হবে, তবে সফরের তারিখ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। দুই দেশের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য সময় দেওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো, পানি বণ্টন ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে।

গত ৩ অক্টোবর দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়মিত আলোচনা, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে সমাধানের দিকে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি সম্প্রতি বলেন, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং এ বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।

এদিকে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। চুক্তিটির নবায়ন নিয়ে দুই দেশের আলোচনা এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে এগোয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১৫ বার পড়া হয়েছে

মোদির সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি গেলেন ভারতের হাইকমিশনার

আপডেট সময় ০৮:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী অনির্ধারিত সফরে দিল্লি গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে তাদের মধ্যে বৈঠক হয়।

দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ে ঢাকার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বার্তা দিতেই দীনেশ ত্রিবেদী দিল্লি গেছেন।

সোমবার রাতে ঢাকার একটি ফ্লাইটে দিল্লিতে পৌঁছান ভারতের হাইকমিশনার। তবে তার সফর ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের একজন রাজনৈতিক নিয়োগপ্রাপ্ত কূটনীতিক। গত এপ্রিলে তাকে বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং দীর্ঘদিনের রাজনীতিক।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, তারেক রহমানের ভারত সফর হবে, তবে সফরের তারিখ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। দুই দেশের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য সময় দেওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো, পানি বণ্টন ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে।

গত ৩ অক্টোবর দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়মিত আলোচনা, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে সমাধানের দিকে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি সম্প্রতি বলেন, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং এ বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।

এদিকে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। চুক্তিটির নবায়ন নিয়ে দুই দেশের আলোচনা এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে এগোয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।