ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

সাভারে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত

মাসুম বিল্লাহ

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল: ঢাকার সাভারে কর্মরত সাবরেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত শুরু করেছে সরকার। রোববার অভিযোগের সরেজমিন তদন্তে যান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনুদ্দিন কাদির।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২২ এপ্রিল মন্ত্রণালয় থেকে তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরেজমিন তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগী, দলিল লেখক, সাংবাদিক এবং অভিযুক্ত সাবরেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর লালবাগের আজিমপুর রোড এলাকায় জাকির হোসেনের একটি ফ্ল্যাট এবং একটি দামি গাড়ি রয়েছে। এসব সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযোগপত্র ও সরকারি দপ্তরের নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি কর কমিশনের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট সাবরেজিস্ট্রার জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী মনিরা সুলতানার ব্যাংক হিসাব তলব করেছিল। তবে সে বিষয়ে পরবর্তী কোনো অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. মঈনুদ্দিন কাদির বলেন, অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, একই ধরনের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুন মাসে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়েছিল। সে সময় আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. মাহবুবুর রহমান তদন্ত করলেও তার পরবর্তী ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
৪৫৫৮ বার পড়া হয়েছে

সাভারে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত

আপডেট সময় ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল: ঢাকার সাভারে কর্মরত সাবরেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত শুরু করেছে সরকার। রোববার অভিযোগের সরেজমিন তদন্তে যান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনুদ্দিন কাদির।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২২ এপ্রিল মন্ত্রণালয় থেকে তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরেজমিন তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগী, দলিল লেখক, সাংবাদিক এবং অভিযুক্ত সাবরেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর লালবাগের আজিমপুর রোড এলাকায় জাকির হোসেনের একটি ফ্ল্যাট এবং একটি দামি গাড়ি রয়েছে। এসব সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযোগপত্র ও সরকারি দপ্তরের নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি কর কমিশনের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট সাবরেজিস্ট্রার জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী মনিরা সুলতানার ব্যাংক হিসাব তলব করেছিল। তবে সে বিষয়ে পরবর্তী কোনো অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. মঈনুদ্দিন কাদির বলেন, অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, একই ধরনের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুন মাসে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়েছিল। সে সময় আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. মাহবুবুর রহমান তদন্ত করলেও তার পরবর্তী ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।