মায়ের মাগফিরাত কামনায় আজাদ মসজিদে তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল পৃথক পৃথকভাবে এসব দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। শুক্রবার বাদ আসর খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে (আজাদ মসজিদ) দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি। মায়ের দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাহফিলে মা খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন তিনি। তারেক রহমান ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরীসহ অনেকে।
মসজিদে নারীদের পৃথক নামাজের স্থান থেকে দোয়ায় অংশ নেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, তার মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং স্বজনেরা। বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। মুসল্লি ও সাধারণ মানুষজন এই দোয়ায় অংশ নেন। গতকাল বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করা হয়। এরপর দোয়ায় খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতের বাসিন্দা করেন- এ কামনাও করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গতকাল জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২রা জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত এই ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনেও দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। গত ৩০শে ডিসেম্বর খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।























