ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রব ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব সংবাদ :

প্রায় আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রব ও তার স্ত্রী নাছরিন আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার মামলাটি করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও (৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রবের জন্ম পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর গ্রামে।

তিনি ১৯৯৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেশবপুর কলেজে ভুগোল ও পরিবেশ বিষয়ে প্রভাষকের পদে যোগদান করেন। ১৯৯৯ সালের ১ জুন এমপিওভুক্ত হন। ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। এই সময়ের মধ্যে বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারি কোষাগার থেকে তিনি ৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৭ টাকা উত্তোলন করেছেন।

পরবর্তীতে তিনি মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী কোঠায় ২০০৯ সালে সাব-রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন। তিনি নিজ জেলা পটুয়াখালীর দশমিনা, গলাচিপা, সদর উপজেলায় চাকরি করেছেন। ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত পিরোজপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত ছিলেন।

এই মামলার প্রধান আসামি নাছরিন আক্তার ২ কোটি ৮১ লাখ ৪৫ হাজার ৪০৪ টাকার স্থাবর এবং ১৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮৬ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯১ হাজার ৯০ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

অনুসন্ধানকালে নাছরিন আক্তারের আয়কর নথি ও আয়ের উৎস সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় করা হয়। তার ব্যবসা খাতে আয় ও ব্যয় বাদ দিলে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার ৭০২ টাকার সম্পদের বৈধ আয়ের উৎস বা দালিলিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পায়নি দুদক।

দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে আসামি আব্দুর রব তার চাকরি জীবনের উপার্জিত অবৈধ আয় দিয়ে স্ত্রীর নামে অঢেল সম্পদ করেছেন। যে কারণে মামলায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

@dhakaprotidin

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৬৭৪ বার পড়া হয়েছে

আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রব ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় ১২:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রায় আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুর রব ও তার স্ত্রী নাছরিন আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার মামলাটি করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও (৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রবের জন্ম পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর গ্রামে।

তিনি ১৯৯৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেশবপুর কলেজে ভুগোল ও পরিবেশ বিষয়ে প্রভাষকের পদে যোগদান করেন। ১৯৯৯ সালের ১ জুন এমপিওভুক্ত হন। ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। এই সময়ের মধ্যে বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারি কোষাগার থেকে তিনি ৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৭ টাকা উত্তোলন করেছেন।

পরবর্তীতে তিনি মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী কোঠায় ২০০৯ সালে সাব-রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন। তিনি নিজ জেলা পটুয়াখালীর দশমিনা, গলাচিপা, সদর উপজেলায় চাকরি করেছেন। ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত পিরোজপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত ছিলেন।

এই মামলার প্রধান আসামি নাছরিন আক্তার ২ কোটি ৮১ লাখ ৪৫ হাজার ৪০৪ টাকার স্থাবর এবং ১৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮৬ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯১ হাজার ৯০ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

অনুসন্ধানকালে নাছরিন আক্তারের আয়কর নথি ও আয়ের উৎস সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় করা হয়। তার ব্যবসা খাতে আয় ও ব্যয় বাদ দিলে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার ৭০২ টাকার সম্পদের বৈধ আয়ের উৎস বা দালিলিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পায়নি দুদক।

দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে আসামি আব্দুর রব তার চাকরি জীবনের উপার্জিত অবৈধ আয় দিয়ে স্ত্রীর নামে অঢেল সম্পদ করেছেন। যে কারণে মামলায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

@dhakaprotidin