ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo ষড়যন্ত্র করে মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু Logo ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৪ জন গ্রেপ্তার, ৩৭ মামলা Logo চাঁদাবাজির মামলায় আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন গ্রেপ্তার Logo কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি Logo প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ফেসবুকে আক্রমণাত্মক মন্তব্য, রাজশাহীতে আটক ১ Logo সাজেকে পর্যটক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলির অভিযোগ ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে Logo মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উপকূলের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা Logo জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠক Logo মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে খুলনা-বাগেরহাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উপকূলের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিনিধি

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা পর্যালোচনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে খুলনা ও বাগেরহাট সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিনব্যাপী সরকারি সফরে তিনি খুলনার দাকোপ ও বাগেরহাটের মোংলা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার নদীভাঙন রোধ, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন ও স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সুন্দরবন পরিদর্শন, নলিয়ান থেকে মোংলায়

বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর বহনকারী হেলিকপ্টার খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানান।

পরে নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ এলাকা থেকে লঞ্চঘাট হয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর ১টার দিকে বানৌজা মোংলায় পৌঁছে মধ্যাহ্নবিরতির পর ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নেন।

বিকেল ৩টার দিকে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

নদীভাঙন ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনের দাবি

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ানসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় সুতারখালী ইউনিয়নসহ নদীভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনের দাবি জানান।

প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। সফরকালে উপকূলীয় এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা

মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো, আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল।

সফরকালে মোংলায় ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বন্দরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ ধরনের অবকাঠামো শিল্পকারখানার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে কী ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া বেজার অধীনে প্রস্তাবিত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের জন্য জমির প্রাপ্যতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী বলে সফরসংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

সফরে ছিলেন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

দিনব্যাপী সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী রবিউল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

সফরসূচি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোংলা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট ও কর্মসংস্থানের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান চান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, সফরে আলোচিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং উন্নয়নের সুফল পৌঁছাবে উপকূলের সাধারণ মানুষের কাছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১০ বার পড়া হয়েছে

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উপকূলের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা পর্যালোচনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে খুলনা ও বাগেরহাট সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিনব্যাপী সরকারি সফরে তিনি খুলনার দাকোপ ও বাগেরহাটের মোংলা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার নদীভাঙন রোধ, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন ও স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সুন্দরবন পরিদর্শন, নলিয়ান থেকে মোংলায়

বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর বহনকারী হেলিকপ্টার খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানান।

পরে নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ এলাকা থেকে লঞ্চঘাট হয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর ১টার দিকে বানৌজা মোংলায় পৌঁছে মধ্যাহ্নবিরতির পর ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নেন।

বিকেল ৩টার দিকে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

নদীভাঙন ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনের দাবি

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ানসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় সুতারখালী ইউনিয়নসহ নদীভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনের দাবি জানান।

প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। সফরকালে উপকূলীয় এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা

মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো, আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল।

সফরকালে মোংলায় ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বন্দরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ ধরনের অবকাঠামো শিল্পকারখানার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে কী ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া বেজার অধীনে প্রস্তাবিত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের জন্য জমির প্রাপ্যতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী বলে সফরসংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

সফরে ছিলেন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

দিনব্যাপী সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী রবিউল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

সফরসূচি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোংলা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট ও কর্মসংস্থানের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান চান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, সফরে আলোচিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং উন্নয়নের সুফল পৌঁছাবে উপকূলের সাধারণ মানুষের কাছে।