ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo ষড়যন্ত্র করে মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু Logo ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৫৩৪ জন গ্রেপ্তার, ৩৭ মামলা Logo চাঁদাবাজির মামলায় আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন গ্রেপ্তার Logo কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি Logo প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ফেসবুকে আক্রমণাত্মক মন্তব্য, রাজশাহীতে আটক ১ Logo সাজেকে পর্যটক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলির অভিযোগ ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে Logo মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উপকূলের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা Logo জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠক Logo মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে খুলনা-বাগেরহাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সামরিক সহযোগিতা জোরদার এবং আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তুরস্ক। ‘বদর সমঝোতা স্মারক’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে চার দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার চুক্তির বিষয়টি জানায়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানো এই চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

চুক্তির আওতায় চার দেশ নিজ নিজ সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে পারবে। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নিরাপত্তাসংক্রান্ত চাহিদা পূরণেও যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর অধিকারী তুরস্কের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পও বেশ শক্তিশালী। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশটি কাতারকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। দোহায় তুরস্কের একটি সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে।

এ ছাড়া গত আগস্টে পরমাণু শক্তিধর পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল তুরস্ক। এবার কাতার ও ইন্দোনেশিয়াকে যুক্ত করে চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এই উদ্যোগ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় ও যৌথ গবেষণায় সহযোগিতা বাড়লে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। তবে নতুন এই চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে এর বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পরিধির ওপর।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৪৫১১ বার পড়া হয়েছে

কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সামরিক সহযোগিতা জোরদার এবং আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তুরস্ক। ‘বদর সমঝোতা স্মারক’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে চার দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার চুক্তির বিষয়টি জানায়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানো এই চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

চুক্তির আওতায় চার দেশ নিজ নিজ সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে পারবে। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নিরাপত্তাসংক্রান্ত চাহিদা পূরণেও যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর অধিকারী তুরস্কের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পও বেশ শক্তিশালী। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশটি কাতারকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। দোহায় তুরস্কের একটি সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে।

এ ছাড়া গত আগস্টে পরমাণু শক্তিধর পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল তুরস্ক। এবার কাতার ও ইন্দোনেশিয়াকে যুক্ত করে চারপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এই উদ্যোগ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় ও যৌথ গবেষণায় সহযোগিতা বাড়লে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। তবে নতুন এই চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে এর বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পরিধির ওপর।