ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা Logo ভারতীয় ‘পুশইন’-এর প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন, কর্মসূচিতে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু Logo দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নরসিংদীতে সরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন, জারি হলো প্রজ্ঞাপন Logo ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার Logo আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ: ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম Logo অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যুর মামলায় স্বামীর এক দিনের রিমান্ড Logo চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাইলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী

সাভারে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত

মাসুম বিল্লাহ

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল: ঢাকার সাভারে কর্মরত সাবরেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত শুরু করেছে সরকার। রোববার অভিযোগের সরেজমিন তদন্তে যান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনুদ্দিন কাদির।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২২ এপ্রিল মন্ত্রণালয় থেকে তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরেজমিন তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগী, দলিল লেখক, সাংবাদিক এবং অভিযুক্ত সাবরেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর লালবাগের আজিমপুর রোড এলাকায় জাকির হোসেনের একটি ফ্ল্যাট এবং একটি দামি গাড়ি রয়েছে। এসব সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযোগপত্র ও সরকারি দপ্তরের নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি কর কমিশনের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট সাবরেজিস্ট্রার জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী মনিরা সুলতানার ব্যাংক হিসাব তলব করেছিল। তবে সে বিষয়ে পরবর্তী কোনো অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. মঈনুদ্দিন কাদির বলেন, অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, একই ধরনের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুন মাসে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়েছিল। সে সময় আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. মাহবুবুর রহমান তদন্ত করলেও তার পরবর্তী ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
৪৫৩২ বার পড়া হয়েছে

সাভারে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত

আপডেট সময় ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল: ঢাকার সাভারে কর্মরত সাবরেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত শুরু করেছে সরকার। রোববার অভিযোগের সরেজমিন তদন্তে যান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনুদ্দিন কাদির।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২২ এপ্রিল মন্ত্রণালয় থেকে তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরেজমিন তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগী, দলিল লেখক, সাংবাদিক এবং অভিযুক্ত সাবরেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজধানীর লালবাগের আজিমপুর রোড এলাকায় জাকির হোসেনের একটি ফ্ল্যাট এবং একটি দামি গাড়ি রয়েছে। এসব সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযোগপত্র ও সরকারি দপ্তরের নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি কর কমিশনের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট সাবরেজিস্ট্রার জাকির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী মনিরা সুলতানার ব্যাংক হিসাব তলব করেছিল। তবে সে বিষয়ে পরবর্তী কোনো অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. মঈনুদ্দিন কাদির বলেন, অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, একই ধরনের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুন মাসে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়েছিল। সে সময় আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. মাহবুবুর রহমান তদন্ত করলেও তার পরবর্তী ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।