লক্ষ্মীপুরে জমি ক্রয় করে বেকাদায় ক্রেতা দখল দিচ্ছেনা বিক্রেতার ছেলে
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার ১৪ নং মান্দারী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে জমি ক্রয় করে বেকায়দায় পড়েছেন মোটবী গ্রামের ( মাইজের বাড়ির) দিন মজুর শাহাদাত হোসেন ও তার পরিবার। স্হানীয় প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়েছে শাহাদাতের পরিবার, দখল পাচ্ছে না ক্রয়কৃত জমিনের। জমি বিক্রেতা আতরের নেছার সৎ ছেলের বাঁধার মুখে বিক্রিত জমি ক্রেতাকে দখল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানা যায়।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় বাড়ির মূল বসতের উপর পুরনো একটি খালি ঘর ভিটি সহ বেশ কিছু কাটা গাছ পড়ে আছে। এই খালি জায়গাটা শাহিনুর আক্তার নামে এক নারী দুই দলিলের মাধ্যমে আক্তারের নেছা ও মনির হোসেনর কাছ থেকে সাফ কবলায় ক্রয় করে দখল নিতে গেলে নুরুল আমিন ওরপে বলির বাঁধায় দখল নিতে পারছে না।
এ বিষয়ে শাহাদাতের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার বলেন, মাইজের বাড়ির নুরুল আমিনের সৎ মা আতরের নেছা থেকে এক দলিলে ৬ শতাংশ জমিন ও আরেক দলিলে আতরের নেছা এবং তার নাতি মনির হোসেন থেকে ৬ শতাংশ জমিন ক্রয় করি । ক্রয় করা সম্পতি কিছু অংশ দখলে থাকলেও বাকি অংশ দখল দিতেছে না আতরের নেছার সৎ ছেলে নুরুল আমিন। শাহিনুর আক্তার আরও বলেন, তাদের ক্রয় কৃত জায়গা থেকে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ায় বাধা দিলে অতর্কিত হামলা করে নুরুল আমিনের পরিবার। হামলা ও জমি দখলের বিষয়ে আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন শাহিনুরের পরিবার ।
জমিন বিক্রয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রেতা আতরের নেছা বলেন, তার স্বামী মৃত আব্দুল মজিদ তাকে ১২ শতাংশ জমিন সাফ কবলা করে দিয়েছে, সেই জমিন তিনি বিক্রি করেছেন। তার নামে রেকর্ড ও দলিল রয়েছে তবুও তার বিক্রিত জমিন দখল দিচ্ছে না সৎ ছেলে নুরুল আমিন।
জমিন দখল না দেওয়ার বিষয় নুরুল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার সৎ মা অন্য জায়গায় বেশি জমিন বিক্রি করেছেন কোন ধরনের হিসাব – নিকাশ ছাড়াই। সেই কারণে বিক্রিত জমিন ক্রেতাকে দখল দেওয়ার আগে আমাদের পারিবারিক হিসাব – নিকাশ শেষ করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলেছি । কিন্তু ক্রেতা – বিক্রেতা উভয়ে আমাকে হয়রানি করতেছে সামাজিক ও আইনি ভাবে। এদিকে ন্যায় বিচারের আশায় ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শাহাদাত ও তার স্ত্রী শাহিনুর আক্তার। স্হানীয় জনসাধারণও বিষয়টির সমাধান কামনা করেন।














