ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর সফল অভিযান—গ্রেফতার তিন পলাতক আসামী

নিজস্ব সংবাদ :

গত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং তারিখে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন ফতেহপুর গ্রামে জনৈক মোঃ রাসেল এর বসত বাড়ীতে তার আপন ভাই রেজাউল করিম এবং তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে রেজাউল করিমের স্ত্রী তাদের বসত বাড়ী হতে বের হয়ে গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বাচাঁও বাচাঁও বলে আত্ম-চিৎকার করলে  ১০০/১৫০ স্থানীয় জনতা তাদের বসত বাড়ীতে হাজির হলে রেজাউল করিম উপস্থিত জনতার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে বাকবিতন্ডার একপর্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে রেজাউল করিম এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে তার আপন দুই ভাই জাহাঙ্গীর এবং আলমগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়ে মাঠিতে লুঠিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থাল মৃত্যু বরণ করেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয়।

উক্ত নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত ভিকটিমদের ছোট ভাই মোঃ রাসেল বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার  ফটিকছড়ি থানায় একজনকে এজাহারনামীয় এবং ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, জিআর-১৫৪/২৪, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজদারী এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। নজদারীর একপর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সূত্রে বর্ণিত হত্যা মামলার সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ওসমান গনি মানিক চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে আনুমানিক ১৩৩৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী ওসমান গনি মানিক (৫৮), পিতা-মৃত দুলা মিয়া, সাং-ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী ওসমান গনি মানিক এর দেওয়া তথ্য মতে অপর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন কড়িয়ার দিঘী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ২। মোঃ হারুন (৪০), পিতা- মৃত নূরে আলম, ৩। আনোয়া পাশা বকুল (৬২), পিতা-মৃত নোয়া মিয়া, উভয় সাং- ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রামদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাদের’কে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানা পুলিশের  নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
৪৭৪৫ বার পড়া হয়েছে

দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর সফল অভিযান—গ্রেফতার তিন পলাতক আসামী

আপডেট সময় ১২:৫৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

গত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং তারিখে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন ফতেহপুর গ্রামে জনৈক মোঃ রাসেল এর বসত বাড়ীতে তার আপন ভাই রেজাউল করিম এবং তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে রেজাউল করিমের স্ত্রী তাদের বসত বাড়ী হতে বের হয়ে গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বাচাঁও বাচাঁও বলে আত্ম-চিৎকার করলে  ১০০/১৫০ স্থানীয় জনতা তাদের বসত বাড়ীতে হাজির হলে রেজাউল করিম উপস্থিত জনতার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে বাকবিতন্ডার একপর্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে রেজাউল করিম এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে তার আপন দুই ভাই জাহাঙ্গীর এবং আলমগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়ে মাঠিতে লুঠিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থাল মৃত্যু বরণ করেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয়।

উক্ত নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত ভিকটিমদের ছোট ভাই মোঃ রাসেল বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার  ফটিকছড়ি থানায় একজনকে এজাহারনামীয় এবং ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, জিআর-১৫৪/২৪, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজদারী এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। নজদারীর একপর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সূত্রে বর্ণিত হত্যা মামলার সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ওসমান গনি মানিক চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে আনুমানিক ১৩৩৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী ওসমান গনি মানিক (৫৮), পিতা-মৃত দুলা মিয়া, সাং-ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী ওসমান গনি মানিক এর দেওয়া তথ্য মতে অপর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন কড়িয়ার দিঘী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ২। মোঃ হারুন (৪০), পিতা- মৃত নূরে আলম, ৩। আনোয়া পাশা বকুল (৬২), পিতা-মৃত নোয়া মিয়া, উভয় সাং- ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রামদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাদের’কে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানা পুলিশের  নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।