শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘বন্ধন-১২’-এর সভাপতি পুনর্নির্বাচিত এস. এম. মফিজুর রহমান
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১২ নম্বর পশ্চিম চরদুখিয়া ইউনিয়নের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘বন্ধন-১২’। শিক্ষাবান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রম, সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে সংগঠনটি স্থানীয় মানুষের প্রশংসা অর্জন করেছে।
সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বন্ধন-১২’-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)।
সভায় সংগঠনের পূর্ববর্তী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে উপস্থিত সদস্যদের অনুরোধ ও সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও প্রথম সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং শিক্ষানুরাগী এস. এম. মফিজুর রহমানকে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এজিএমে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে ইউনিয়নের শিক্ষা উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং জনকল্যাণমূলক নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে সদস্যরা মতামত তুলে ধরেন।

সভায় উপস্থিত সদস্যরা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ‘বন্ধন-১২’ এলাকার শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করে আসছে। সংগঠনটির বিভিন্ন ব্যতিক্রমী ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
সভায় আরও জানানো হয়, নতুন কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের নাম সংগঠনের সদস্যদের পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।
‘বন্ধন-১২’-এর প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও পুনর্নির্বাচিত সভাপতি এস. এম. মফিজুর রহমান বলেন, “সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিশেষ করে শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা। আমরা ভবিষ্যতে আরও পরিকল্পিত ও বিস্তৃত পরিসরে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।”
তিনি সংগঠনের সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই পশ্চিম চরদুখিয়া ইউনিয়নকে শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
সংগঠনের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে ‘বন্ধন-১২’ আগামী দিনে পশ্চিম চরদুখিয়া ইউনিয়নের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

























