মন্ত্রিসভায় মানবাধিকার কমিশন ও ব্যাংক রেজল্যুশন আইন এবং ভিসা নীতিমালার খসড়া অনুমোদন
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই বৈঠকে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া এবং ‘ভিসা নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ১৬তম বৈঠকে এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে জানা যায়, মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার প্রতি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, একজন চেয়ারপার্সন ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠিত হবে, যার মধ্যে অন্তত একজন নারী সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও নাগরিক প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি নৃ-গোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের আলোকে হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইউনিট গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর ১৮ক ধারার শর্তাবলী পরিপালন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় উক্ত ধারাটি বিলুপ্তির লক্ষ্যে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া দেশে বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন বৃদ্ধি ও দক্ষ মানবসম্পদ আকর্ষণে বিদ্যমান ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করে ‘ভিসা নীতিমালা, ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০০৬ সালের পূর্ববর্তী নীতিমালায় ৩৩টি ভিসা ক্যাটাগরি থাকলেও নতুন নীতিমালায় তা বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পূর্বের সব সার্কুলার বাতিল করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন মিশনগুলোর সমন্বয়ে একটি সমন্বিত অভিবাসন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।























