ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত Logo নারী মরদেহের ময়নাতদন্তে নারী ডোম নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের রুল Logo যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নিরাপত্তা সতর্কতা, মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান Logo রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৭২ জন গ্রেফতার, ৫৪ মামলা Logo পটুয়াখালীতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪০১ জন গ্রেপ্তার, ৫০ মামলা Logo শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখছে ভারত: রণধীর জয়সোয়াল Logo কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে হঠাৎ টর্নেডো, ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক চেয়ার-ছাতা Logo ‘সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কার নয়’—মির্জা ফখরুল Logo হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে যে ৫ অভ্যাসের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা: আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্য দেন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলাটিতে তালিকাভুক্ত ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

এর আগে গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ৩ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর। দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে তার নামে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উঠে আসে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য মিলেছে। ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। এর বিপরীতে তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
৪৫১২ বার পড়া হয়েছে

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা: আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্য দেন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলাটিতে তালিকাভুক্ত ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

এর আগে গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ৩ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর। দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে তার নামে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উঠে আসে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য মিলেছে। ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। এর বিপরীতে তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।