ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুয়াকাটা ভ্রমণে গিয়ে পুকুরে ডাবল ডেকার বাস, আহত ১৫ Logo চট্টগ্রামমুখী ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে বাধা দিলে সরকার জনরোষে পড়তে পারে: পরওয়ার Logo মাসের শেষ দিকে সারা দেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo ইসলামী ব্যাংকে এস আলম গ্রুপের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের Logo সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল অনুমোদন, সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা Logo বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের জন্য মালয়েশিয়ার মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসায় কড়াকড়ি Logo মাদারীপুরে পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ, আহত ৬ Logo নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ১১ দিনে ইরানের ১০০ কোটি ডলারের বেশি তেল আয় Logo ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার Logo আগস্টে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ২৫২ জন

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা: আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্য দেন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলাটিতে তালিকাভুক্ত ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

এর আগে গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ৩ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর। দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে তার নামে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উঠে আসে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য মিলেছে। ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। এর বিপরীতে তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
৪৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা: আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আরও এক সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্য দেন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলাটিতে তালিকাভুক্ত ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

এর আগে গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ৩ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর। দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে তার নামে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উঠে আসে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য মিলেছে। ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। এর বিপরীতে তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।