ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুপ্ত ইস্যুতে মুখ খুললেন সর্ব মিত্র চাকমা Logo নেত্রকোনায় জামায়াত এমপির গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, ৯ জন গ্রেপ্তার Logo সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী Logo অবশেষে ইসলামাবাদে পৌঁছালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি Logo বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট উদ্বেগজনক পর্যায়ে,বাংলাদেশ অন্যতম Logo পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে, বিজেপি–তৃণমূল পাল্টাপাল্টি দাবি Logo ডিজেলচালিত বাস-মিনিবাসের ভাড়া বেড়েছে ১১ পয়সা প্রতি কিলোমিটার, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সার ডিলার বাতিল, নতুন নিয়োগ শিগগির-চিপ হুইপ Logo বিচার বিভাগের দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলতে চাই: আইনমন্ত্রী Logo নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগে প্যানেল পদ্ধতির দাবি বাংলাদেশ মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ সমিতির

গুপ্ত ইস্যুতে মুখ খুললেন সর্ব মিত্র চাকমা

মিয়া আব্দুর রহিম

ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি বলেছেন, ‘গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।’

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সর্ব মিত্র চাকমা।

তার ফেসবুক পোস্ট পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো—

ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই? তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত….

গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।

তবে, এখানে একটা কিন্তু আছে। সমাজে ‘শিবিরের কর্মী’ নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ। শিবিরকে মেরে ফেলা জায়েজ, গত সতেরো বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এটা প্রতিষ্ঠিত বাক্য। যদিও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা নেই তাদের ওপর।

আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি একটা বক্তব্য দিয়েছেন, ‘হয় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলব, নয়তো গুপ্ত শিবিরদের হত্যা করব।’

কথাটা খুবই স্বাভাবিক, কারণ আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করতে চেয়েছে শিবিরকে। একই বক্তব্য যদি অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে হতো, বিরাট নিন্দার ঝড় বইতো।

শিবির নিজেও হয়তো এটা মেনে নিয়েছে, তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে তারা একেকজন হত্যাযোগ্য প্রাণ, মানবাধিকার তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তা না হলে সামাজিক মাধ্যমে শিবিরের নেতা-কর্মীদের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ দেখতাম।

বিষপাণে একপাল কুকুরছানা মেরে ফেললে বিষাদ আর অগ্নির ঝড় বয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা জলজ্যান্ত মানুষ ‘শিবিরের ছানা’ মরলে সমাজের সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার নিয়ে হাঁসফাস করা মানুষগুলো টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করবে না।

শিবির প্রকাশ্যে আসুক, আমি খুব করে চাই। তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক। তাদের ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ থেকে মুক্তি দিক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
৪৫০৩ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

গুপ্ত ইস্যুতে মুখ খুললেন সর্ব মিত্র চাকমা

আপডেট সময় ১২:৫৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি বলেছেন, ‘গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।’

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সর্ব মিত্র চাকমা।

তার ফেসবুক পোস্ট পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো—

ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই? তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত….

গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।

তবে, এখানে একটা কিন্তু আছে। সমাজে ‘শিবিরের কর্মী’ নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ। শিবিরকে মেরে ফেলা জায়েজ, গত সতেরো বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এটা প্রতিষ্ঠিত বাক্য। যদিও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা নেই তাদের ওপর।

আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি একটা বক্তব্য দিয়েছেন, ‘হয় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলব, নয়তো গুপ্ত শিবিরদের হত্যা করব।’

কথাটা খুবই স্বাভাবিক, কারণ আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করতে চেয়েছে শিবিরকে। একই বক্তব্য যদি অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে হতো, বিরাট নিন্দার ঝড় বইতো।

শিবির নিজেও হয়তো এটা মেনে নিয়েছে, তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে তারা একেকজন হত্যাযোগ্য প্রাণ, মানবাধিকার তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তা না হলে সামাজিক মাধ্যমে শিবিরের নেতা-কর্মীদের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ দেখতাম।

বিষপাণে একপাল কুকুরছানা মেরে ফেললে বিষাদ আর অগ্নির ঝড় বয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা জলজ্যান্ত মানুষ ‘শিবিরের ছানা’ মরলে সমাজের সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার নিয়ে হাঁসফাস করা মানুষগুলো টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করবে না।

শিবির প্রকাশ্যে আসুক, আমি খুব করে চাই। তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক। তাদের ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ থেকে মুক্তি দিক।