ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি নাহিদ ইসলামের Logo পাবনায় হাটের ইজারাদারসহ দুজনকে গুলি করে হত্যা Logo জাপান থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo সুখী জীবনের মন্ত্র শেখাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের মাওরি সংস্কৃতির ‘মানাআকিতাঙ্গা’ Logo আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ শব্দচয়ন ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ Logo সিরাজগঞ্জে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে যুবলীগের মিছিল, তদন্তের নির্দেশ ডিআইজির Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫৮১ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা-গাঁজাসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার Logo অপপ্রচার না করে জনগণের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিন: আমিনুল হক Logo টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভারতের লাল কার্ডের পরোয়া করে না জামায়াত’—ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা জামায়াতকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেও দলটি তা নিয়ে কোনো পরোয়া করে না।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা আমাদের লাল কার্ড দেখায়। কিন্তু জামায়াত তাদের লাল কার্ডের পরোয়া করে না, কারণ তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।”

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও ‘২৪-এর অর্জন রক্ষা করবে জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও অনেকে এখনো অতীত নিয়েই ব্যস্ত। “’২৪ না হলে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি সামনে এগোবে কীভাবে?”—বলেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে পারে না—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা বুঝলো কীভাবে?”

তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটে কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবেই। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে সমাধান হবে।

ডা. শফিকুর রহমান শহীদদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের প্রত্যাশা ধরে রাখতে হবে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকবে জামায়াতে ইসলামী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
৪৫৮৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের লাল কার্ডের পরোয়া করে না জামায়াত’—ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা জামায়াতকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেও দলটি তা নিয়ে কোনো পরোয়া করে না।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা আমাদের লাল কার্ড দেখায়। কিন্তু জামায়াত তাদের লাল কার্ডের পরোয়া করে না, কারণ তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।”

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও ‘২৪-এর অর্জন রক্ষা করবে জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও অনেকে এখনো অতীত নিয়েই ব্যস্ত। “’২৪ না হলে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি সামনে এগোবে কীভাবে?”—বলেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে পারে না—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা বুঝলো কীভাবে?”

তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটে কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবেই। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে সমাধান হবে।

ডা. শফিকুর রহমান শহীদদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের প্রত্যাশা ধরে রাখতে হবে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকবে জামায়াতে ইসলামী।