ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত Logo নারী মরদেহের ময়নাতদন্তে নারী ডোম নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের রুল Logo যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নিরাপত্তা সতর্কতা, মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান Logo রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৭২ জন গ্রেফতার, ৫৪ মামলা Logo পটুয়াখালীতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪০১ জন গ্রেপ্তার, ৫০ মামলা Logo শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখছে ভারত: রণধীর জয়সোয়াল Logo কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে হঠাৎ টর্নেডো, ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক চেয়ার-ছাতা Logo ‘সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কার নয়’—মির্জা ফখরুল Logo হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে যে ৫ অভ্যাসের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

ভারতের লাল কার্ডের পরোয়া করে না জামায়াত’—ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা জামায়াতকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেও দলটি তা নিয়ে কোনো পরোয়া করে না।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা আমাদের লাল কার্ড দেখায়। কিন্তু জামায়াত তাদের লাল কার্ডের পরোয়া করে না, কারণ তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।”

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও ‘২৪-এর অর্জন রক্ষা করবে জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও অনেকে এখনো অতীত নিয়েই ব্যস্ত। “’২৪ না হলে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি সামনে এগোবে কীভাবে?”—বলেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে পারে না—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা বুঝলো কীভাবে?”

তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটে কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবেই। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে সমাধান হবে।

ডা. শফিকুর রহমান শহীদদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের প্রত্যাশা ধরে রাখতে হবে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকবে জামায়াতে ইসলামী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
৪৫১২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের লাল কার্ডের পরোয়া করে না জামায়াত’—ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা জামায়াতকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেও দলটি তা নিয়ে কোনো পরোয়া করে না।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। তারা আমাদের লাল কার্ড দেখায়। কিন্তু জামায়াত তাদের লাল কার্ডের পরোয়া করে না, কারণ তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই।”

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই আন্দোলনের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও ‘২৪-এর অর্জন রক্ষা করবে জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও অনেকে এখনো অতীত নিয়েই ব্যস্ত। “’২৪ না হলে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি সামনে এগোবে কীভাবে?”—বলেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে পারে না—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা বুঝলো কীভাবে?”

তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটে কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবেই। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে সমাধান হবে।

ডা. শফিকুর রহমান শহীদদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের প্রত্যাশা ধরে রাখতে হবে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকবে জামায়াতে ইসলামী।