ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা Logo ভারতীয় ‘পুশইন’-এর প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন, কর্মসূচিতে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু Logo দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নরসিংদীতে সরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন, জারি হলো প্রজ্ঞাপন Logo ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার Logo আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ: ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম Logo অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যুর মামলায় স্বামীর এক দিনের রিমান্ড Logo চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাইলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী

ডিজিটাল আসক্তি কমানোর সহজ কিছু কৌশল

নিজস্ব সংবাদ :
সকালে চোখ খুলেই স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন চেক করা কিংবা ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকা—আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত এই প্রযুক্তিনির্ভরতা ডেকে আনছে ‘ডিজিটাল ক্লান্তি’। চোখ ব্যথা, মাথা ধরা কিংবা অকারণ মানসিক অস্থিরতা এখন ঘরে ঘরে। প্রযুক্তি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমেই এই ক্লান্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

শান্তভাবে দিন শুরু করুন
দিনের শুরুটা হোক অন্তত ৩০ মিনিট ফোন ছাড়া। ঘুম থেকে উঠেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না ঢুকে জানালার পাশে বসুন, হালকা ব্যায়াম করুন বা প্রিয় কোনো পানীয় দিয়ে সকাল শুরু করুন। এটি সারা দিনের জন্য আপনার মনকে শান্ত ও স্থির রাখতে সাহায্য করবে।

স্ক্রিন থেকে বিরতি নিন
কাজের প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ বা মোবাইলে তাকিয়ে থাকতে হলে ‘২০-২০-২০’ নিয়ম মেনে চলুন।

প্রতি ২০ মিনিট অন্তর অন্তত ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এ ছাড়া প্রতি ঘণ্টায় একবার ৫ মিনিটের জন্য ডেস্ক থেকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।নোটিফিকেশনের দাসত্ব থেকে মুক্তি
অপ্রয়োজনীয় সব অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। সারাক্ষণ ফোনের টুং-টাং শব্দ মনোযোগ নষ্ট করার পাশাপাশি অবচেতন মনে চাপ সৃষ্টি করে। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মেসেজ বা মেইল চেক করার অভ্যাস করুন।

বেডরুম হোক ‘ডিভাইস মুক্ত’ জোন
বিছানা কিংবা ডাইনিং টেবিলকে ‘নো-ডিভাইস জোন’ হিসেবে ঘোষণা করুন। বিশেষ করে ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের হরমোন নষ্ট করে। এই সময়টাতে ফোনের বদলে কোনো বই পড়তে পারেন।

ভার্চুয়াল লাইকের চেয়ে রক্ত-মাংসের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি কার্যকর। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, প্রযুক্তি ছাড়াই একান্ত সময় কাটান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
৪৫৩৫ বার পড়া হয়েছে

ডিজিটাল আসক্তি কমানোর সহজ কিছু কৌশল

আপডেট সময় ১২:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
সকালে চোখ খুলেই স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন চেক করা কিংবা ঘুমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকা—আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত এই প্রযুক্তিনির্ভরতা ডেকে আনছে ‘ডিজিটাল ক্লান্তি’। চোখ ব্যথা, মাথা ধরা কিংবা অকারণ মানসিক অস্থিরতা এখন ঘরে ঘরে। প্রযুক্তি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমেই এই ক্লান্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

শান্তভাবে দিন শুরু করুন
দিনের শুরুটা হোক অন্তত ৩০ মিনিট ফোন ছাড়া। ঘুম থেকে উঠেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না ঢুকে জানালার পাশে বসুন, হালকা ব্যায়াম করুন বা প্রিয় কোনো পানীয় দিয়ে সকাল শুরু করুন। এটি সারা দিনের জন্য আপনার মনকে শান্ত ও স্থির রাখতে সাহায্য করবে।

স্ক্রিন থেকে বিরতি নিন
কাজের প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ বা মোবাইলে তাকিয়ে থাকতে হলে ‘২০-২০-২০’ নিয়ম মেনে চলুন।

প্রতি ২০ মিনিট অন্তর অন্তত ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এ ছাড়া প্রতি ঘণ্টায় একবার ৫ মিনিটের জন্য ডেস্ক থেকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।নোটিফিকেশনের দাসত্ব থেকে মুক্তি
অপ্রয়োজনীয় সব অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। সারাক্ষণ ফোনের টুং-টাং শব্দ মনোযোগ নষ্ট করার পাশাপাশি অবচেতন মনে চাপ সৃষ্টি করে। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মেসেজ বা মেইল চেক করার অভ্যাস করুন।

বেডরুম হোক ‘ডিভাইস মুক্ত’ জোন
বিছানা কিংবা ডাইনিং টেবিলকে ‘নো-ডিভাইস জোন’ হিসেবে ঘোষণা করুন। বিশেষ করে ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের হরমোন নষ্ট করে। এই সময়টাতে ফোনের বদলে কোনো বই পড়তে পারেন।

ভার্চুয়াল লাইকের চেয়ে রক্ত-মাংসের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি কার্যকর। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, প্রযুক্তি ছাড়াই একান্ত সময় কাটান।