ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার Logo আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ: ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম Logo অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যুর মামলায় স্বামীর এক দিনের রিমান্ড Logo চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাইলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী Logo ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রণোদনা, ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত ব্যবসায়ীদের Logo বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই বিতর্ক, তিন লাল কার্ড দেখিয়ে আলোচনায় রেফারি সাম্পাইয়ো Logo ইসলামী ব্যাংকের আমানত নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই: গভর্নর Logo বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার বড় স্বস্তি, ফিট হয়ে অনুশীলনে ফিরলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

ভিসা বন্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে হতাশা, অব্যাহতির চেষ্টা করবে সরকার

নিজস্ব সংবাদ :

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘ভিসা বন্ড’ বা মোটা অঙ্কের জামানত আরোপকে দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে এটা ‘অস্বাভাবিক’ নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন তিনি। তৌহিদ হোসেন বলেন, আমেরিকা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা শুধু বাংলাদেশের জন্য না। অনেকগুলো দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম স্থান পেয়েছে। কিছু দেশ আছে- যাদের ইমিগ্রেশন নিয়ে প্রবলেম আছে। আপনারা আমেরিকানদের কৌশল দেখেছেন, যারা ওখানে ওদের সোশ্যাল সিস্টেম থেকে পয়সা নেয় তাদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা সর্বাধিক।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তাহলে তারা যদি কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সেটার মধ্যে বাংলাদেশ থাকবে-এটা আমার কাছে খুব অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। কিন্তু তা দুঃখজনক। অবশ্যই এটা কষ্টকর আমাদের জন্য। এটা যদি সবাই গত এক বছরে যেতো তাহলে আমি বলতাম যে, আমরা দায়ী। সমস্যাটা হচ্ছে পুরনো, বছরের পর বছর ধরে চলছে জানিয়ে তিনি বলেন,  যদি এটি গত এক বছরের ঘটনা হতো তখন আমি বলতাম যে এতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়-দায়িত্ব আছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই পদ্ধতি চলছে দীর্ঘদিন ধরে। কাজেই দায়দায়িত্ব যদি আপনি ধরেন পলিসিগতভাবে কারও ওপর থাকে, সেটা পূর্ববর্তী সব সরকারের আছে। সেটাকে আমরা পরিবর্তন করতে পারি নাই, পরিবর্তন করা সম্ভব না।

কারণ মানুষের এই নড়াচড়া করার সাধ্য এই সরকারের নাই, কোনো সরকারেই ছিল না। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের অনিয়মিত অভিবাসন নীতির কথা তুলে ধরে তৌহিদ হোসেন বলেন, পলিসির দিক থেকে আমি বলতে পারি, প্রথম দিন থেকে আমরা কিন্তু অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি। সমাধান-একমাত্র যদি আমরা অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধ করতে পারি। আমাদের এখনো পত্রপত্রিকার খবরে দেখা যাচ্ছে, কেউ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে মারা গেছে অথবা হাবুডুবু খেয়ে সে উদ্ধার হয়ে এসেছে। সে একজন ভিকটিম, তার প্রতি সব ধরনের সিমপ্যাথি। পাশাপাশি কিন্তু আইন ভঙ্গ হয়েছে। ভিসা বন্ড আরোপ বন্ধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কিনা-জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা মাত্র হয়েছে। আমরা সাধারণ পদ্ধতিতে  যাবো। চেষ্টা করবো যেন এটা থেকে আমাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।

কেন বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা: এদিকে কেন বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না সেই ব্যাখ্যাও দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ও আইপিএল ইস্যুতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গৃহীত সিদ্ধান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে জানিয়ে মিস্টার হোসেন বলেন- উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল যেটা বলেছেন, আমি এটাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। একজন ক্রিকেটার ওখানে সীমিত সময়ের জন্য যাবে, খেলবে চলে আসবে। তার নিরাপত্তা যদি দেয়া সম্ভব না হয় তা হলে কী আর বলার আছে। তবে এই ঘটনার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, আমাদের টিম যাবে, শুধুতো টিম যাবে না সমর্থকরাও যাবে; খেলা দেখতে যাবে, তাদের নিরাপত্তার প্রশ্ন আছে। আমরা কী করে বিশ্বাস করবো, তারা নিরাপদে থাকবে? তিনি বলেন, ভারত যদি একজন ক্রিকেটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে পুরো একটি দলের নিরাপত্তা তারা কীভাবে দেবে? আমরা তো তাদের কথায় আস্থা রাখতে পারছি না। উপদেষ্টা বলেন, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর যে বাংলাদেশবিরোধী কার্যকলাপ এবং কথাবার্তা চলছে, সেটার পরিপ্রেক্ষিতে সত্যিকার অর্থে ভারতীয় সংস্থাগুলোর পক্ষে নিরাপত্তা দেয়া কঠিন হবে।

সে হিসেবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিশ্বকাপ খেলবো তবে ভারতের বাইরে খেলবো। খেলতে ভারতে যাওয়া যাবে না, আবার ভারত থেকে তেল ও চাল আমদানি করা হবে- এটি কি বৈপরীত্য নয় এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের স্বার্থ যেখানে আছে হাতে ধরে তো আমরা নষ্ট করতে যাবো না। এখানে আমাদের স্বার্থ আছে না যাওয়াতে। কারণ আমাদের লোকজনের নিরাপত্তার প্রশ্ন। কাজেই আমাদের শর্ত না যাওয়াতে। আমরা আমাদের লোকজনদের পাঠাবো না। আমাদের চাল কেনার যদি স্বার্থ থাকে, যদি আমরা কমে দামে পাই এবং আমাদের কিনতেই হয় আমি কোনো সমস্যা দেখি না। ভারতে বাংলাদেশের তিনটি মিশনে ভিসা ইস্যু বন্ধের বিষয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, যে মিশনগুলো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, আমরা আপাতত ভিসা ইস্যু বন্ধ রাখতে বলেছি। এটা নিরাপত্তার জায়গা। পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান সৌদি আরবে অনুষ্ঠেয় একটি বহুপক্ষীয় ফোরামে যোগ দিতে শুক্রবার (৯ই জানুয়ারি) তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
৪৬২৯ বার পড়া হয়েছে

ভিসা বন্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে হতাশা, অব্যাহতির চেষ্টা করবে সরকার

আপডেট সময় ০১:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘ভিসা বন্ড’ বা মোটা অঙ্কের জামানত আরোপকে দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে এটা ‘অস্বাভাবিক’ নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন তিনি। তৌহিদ হোসেন বলেন, আমেরিকা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা শুধু বাংলাদেশের জন্য না। অনেকগুলো দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম স্থান পেয়েছে। কিছু দেশ আছে- যাদের ইমিগ্রেশন নিয়ে প্রবলেম আছে। আপনারা আমেরিকানদের কৌশল দেখেছেন, যারা ওখানে ওদের সোশ্যাল সিস্টেম থেকে পয়সা নেয় তাদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা সর্বাধিক।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তাহলে তারা যদি কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সেটার মধ্যে বাংলাদেশ থাকবে-এটা আমার কাছে খুব অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। কিন্তু তা দুঃখজনক। অবশ্যই এটা কষ্টকর আমাদের জন্য। এটা যদি সবাই গত এক বছরে যেতো তাহলে আমি বলতাম যে, আমরা দায়ী। সমস্যাটা হচ্ছে পুরনো, বছরের পর বছর ধরে চলছে জানিয়ে তিনি বলেন,  যদি এটি গত এক বছরের ঘটনা হতো তখন আমি বলতাম যে এতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়-দায়িত্ব আছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই পদ্ধতি চলছে দীর্ঘদিন ধরে। কাজেই দায়দায়িত্ব যদি আপনি ধরেন পলিসিগতভাবে কারও ওপর থাকে, সেটা পূর্ববর্তী সব সরকারের আছে। সেটাকে আমরা পরিবর্তন করতে পারি নাই, পরিবর্তন করা সম্ভব না।

কারণ মানুষের এই নড়াচড়া করার সাধ্য এই সরকারের নাই, কোনো সরকারেই ছিল না। এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের অনিয়মিত অভিবাসন নীতির কথা তুলে ধরে তৌহিদ হোসেন বলেন, পলিসির দিক থেকে আমি বলতে পারি, প্রথম দিন থেকে আমরা কিন্তু অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি। সমাধান-একমাত্র যদি আমরা অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধ করতে পারি। আমাদের এখনো পত্রপত্রিকার খবরে দেখা যাচ্ছে, কেউ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে মারা গেছে অথবা হাবুডুবু খেয়ে সে উদ্ধার হয়ে এসেছে। সে একজন ভিকটিম, তার প্রতি সব ধরনের সিমপ্যাথি। পাশাপাশি কিন্তু আইন ভঙ্গ হয়েছে। ভিসা বন্ড আরোপ বন্ধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কিনা-জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা মাত্র হয়েছে। আমরা সাধারণ পদ্ধতিতে  যাবো। চেষ্টা করবো যেন এটা থেকে আমাদের অব্যাহতি দেয়া হয়।

কেন বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা: এদিকে কেন বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না সেই ব্যাখ্যাও দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ও আইপিএল ইস্যুতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গৃহীত সিদ্ধান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে জানিয়ে মিস্টার হোসেন বলেন- উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল যেটা বলেছেন, আমি এটাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। একজন ক্রিকেটার ওখানে সীমিত সময়ের জন্য যাবে, খেলবে চলে আসবে। তার নিরাপত্তা যদি দেয়া সম্ভব না হয় তা হলে কী আর বলার আছে। তবে এই ঘটনার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, আমাদের টিম যাবে, শুধুতো টিম যাবে না সমর্থকরাও যাবে; খেলা দেখতে যাবে, তাদের নিরাপত্তার প্রশ্ন আছে। আমরা কী করে বিশ্বাস করবো, তারা নিরাপদে থাকবে? তিনি বলেন, ভারত যদি একজন ক্রিকেটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে পুরো একটি দলের নিরাপত্তা তারা কীভাবে দেবে? আমরা তো তাদের কথায় আস্থা রাখতে পারছি না। উপদেষ্টা বলেন, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর যে বাংলাদেশবিরোধী কার্যকলাপ এবং কথাবার্তা চলছে, সেটার পরিপ্রেক্ষিতে সত্যিকার অর্থে ভারতীয় সংস্থাগুলোর পক্ষে নিরাপত্তা দেয়া কঠিন হবে।

সে হিসেবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিশ্বকাপ খেলবো তবে ভারতের বাইরে খেলবো। খেলতে ভারতে যাওয়া যাবে না, আবার ভারত থেকে তেল ও চাল আমদানি করা হবে- এটি কি বৈপরীত্য নয় এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের স্বার্থ যেখানে আছে হাতে ধরে তো আমরা নষ্ট করতে যাবো না। এখানে আমাদের স্বার্থ আছে না যাওয়াতে। কারণ আমাদের লোকজনের নিরাপত্তার প্রশ্ন। কাজেই আমাদের শর্ত না যাওয়াতে। আমরা আমাদের লোকজনদের পাঠাবো না। আমাদের চাল কেনার যদি স্বার্থ থাকে, যদি আমরা কমে দামে পাই এবং আমাদের কিনতেই হয় আমি কোনো সমস্যা দেখি না। ভারতে বাংলাদেশের তিনটি মিশনে ভিসা ইস্যু বন্ধের বিষয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, যে মিশনগুলো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, আমরা আপাতত ভিসা ইস্যু বন্ধ রাখতে বলেছি। এটা নিরাপত্তার জায়গা। পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান সৌদি আরবে অনুষ্ঠেয় একটি বহুপক্ষীয় ফোরামে যোগ দিতে শুক্রবার (৯ই জানুয়ারি) তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন।