ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর সফল অভিযান—গ্রেফতার তিন পলাতক আসামী

নিজস্ব সংবাদ :

গত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং তারিখে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন ফতেহপুর গ্রামে জনৈক মোঃ রাসেল এর বসত বাড়ীতে তার আপন ভাই রেজাউল করিম এবং তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে রেজাউল করিমের স্ত্রী তাদের বসত বাড়ী হতে বের হয়ে গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বাচাঁও বাচাঁও বলে আত্ম-চিৎকার করলে  ১০০/১৫০ স্থানীয় জনতা তাদের বসত বাড়ীতে হাজির হলে রেজাউল করিম উপস্থিত জনতার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে বাকবিতন্ডার একপর্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে রেজাউল করিম এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে তার আপন দুই ভাই জাহাঙ্গীর এবং আলমগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়ে মাঠিতে লুঠিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থাল মৃত্যু বরণ করেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয়।

উক্ত নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত ভিকটিমদের ছোট ভাই মোঃ রাসেল বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার  ফটিকছড়ি থানায় একজনকে এজাহারনামীয় এবং ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, জিআর-১৫৪/২৪, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজদারী এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। নজদারীর একপর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সূত্রে বর্ণিত হত্যা মামলার সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ওসমান গনি মানিক চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে আনুমানিক ১৩৩৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী ওসমান গনি মানিক (৫৮), পিতা-মৃত দুলা মিয়া, সাং-ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী ওসমান গনি মানিক এর দেওয়া তথ্য মতে অপর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন কড়িয়ার দিঘী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ২। মোঃ হারুন (৪০), পিতা- মৃত নূরে আলম, ৩। আনোয়া পাশা বকুল (৬২), পিতা-মৃত নোয়া মিয়া, উভয় সাং- ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রামদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাদের’কে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানা পুলিশের  নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
৪৬৭৯ বার পড়া হয়েছে

দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর সফল অভিযান—গ্রেফতার তিন পলাতক আসামী

আপডেট সময় ১২:৫৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

গত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং তারিখে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন ফতেহপুর গ্রামে জনৈক মোঃ রাসেল এর বসত বাড়ীতে তার আপন ভাই রেজাউল করিম এবং তার স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে রেজাউল করিমের স্ত্রী তাদের বসত বাড়ী হতে বের হয়ে গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বাচাঁও বাচাঁও বলে আত্ম-চিৎকার করলে  ১০০/১৫০ স্থানীয় জনতা তাদের বসত বাড়ীতে হাজির হলে রেজাউল করিম উপস্থিত জনতার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে বাকবিতন্ডার একপর্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে রেজাউল করিম এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে তার আপন দুই ভাই জাহাঙ্গীর এবং আলমগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়ে মাঠিতে লুঠিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থাল মৃত্যু বরণ করেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয়।

উক্ত নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত ভিকটিমদের ছোট ভাই মোঃ রাসেল বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার  ফটিকছড়ি থানায় একজনকে এজাহারনামীয় এবং ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৩, তারিখ-০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ, জিআর-১৫৪/২৪, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজদারী এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। নজদারীর একপর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সূত্রে বর্ণিত হত্যা মামলার সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ওসমান গনি মানিক চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে আনুমানিক ১৩৩৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন ফটিকা কামাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী ওসমান গনি মানিক (৫৮), পিতা-মৃত দুলা মিয়া, সাং-ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী ওসমান গনি মানিক এর দেওয়া তথ্য মতে অপর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন কড়িয়ার দিঘী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী ২। মোঃ হারুন (৪০), পিতা- মৃত নূরে আলম, ৩। আনোয়া পাশা বকুল (৬২), পিতা-মৃত নোয়া মিয়া, উভয় সাং- ফতেহপুর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রামদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাদের’কে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানা পুলিশের  নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।