ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার Logo আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ: ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম Logo অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যুর মামলায় স্বামীর এক দিনের রিমান্ড Logo চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাইলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী Logo ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রণোদনা, ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত ব্যবসায়ীদের Logo বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই বিতর্ক, তিন লাল কার্ড দেখিয়ে আলোচনায় রেফারি সাম্পাইয়ো Logo ইসলামী ব্যাংকের আমানত নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই: গভর্নর Logo বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার বড় স্বস্তি, ফিট হয়ে অনুশীলনে ফিরলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

২০১৩-র ৫ ফেব্রুয়ারির কাতালগঞ্জ: ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে গুলি ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ :
সময়টা ২০১৩ সালের ৫ ই ফেব্রুয়ারী..
সেদিন ছিল জামায়াত নেতা শহীদ কাদের মোল্লা সাহেবের রায়ের দিন।রায় পরবর্তী দুপুর ২ টায় তৎকালীন ওসি পাঁচলাইশ থানার কুখ্যাত প্রদীপ কুমার দাস ছবিতে যে আমাকে গুলি করে আনতেছিল!
আমাকে গ্রেপ্তার করে হ্যান্ডকাফ পড়ানোর পরে দু,পায়ে ঠান্ডা মাথায় পিস্তল দিয়ে ৬ রাউন্ড গুলি করে দেয়। গুলি করার পর ছয় তলা ভবনের ছাদে নিয়ে গিয়ে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলতে চায়, ততোক্ষণে চ্যানেল-২৪, NTV,তৎকালীন আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিকরা চলে আসে। ছবিতে দৃশ্যমান… কিছু পুলিশ বলতেছিল স্যার মাথা ঠান্ডা করেন,আমরা তাকে নিয়ে যায়,আপনি শান্ত হোন। আমাকে যে গুলি করতেছিল সে সময় আগুনের গোলা বের হচ্ছিল বন্দুক দিয়ে। ২ পা অবশ ছিল… এই অবস্থায় সব চ্যানেল লাইভ টেলিকাস্টে গেলে আমাকে প্রদীপ কিছু চাকমা ডিবির হাতে তুলে দেয়। তারা ৬ তলায় পুনরায় রাইফেলের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে,তখন মাথা পেটে আমার নাক,মুখ বেয়ে রক্ত ঝরছিল। এই রক্তাক্ত শরীরে তারা আমাকে লাঠির আঘাত,বন্দুকের আঘাত এবং লাথি মেরে মেরে উল্টিয়ে উল্টিয়ে নিচে নিয়ে আসে।নিচে আনার পরে ওসি প্রদীপ আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ধরে থানায় নিচ্ছিল ছবিতে দেখা যাচ্ছে। সেদিন কাতালগঞ্জের ঘটনা এটা…
থানায় নিয়ে ৩০ মিনিট আমার উপর ওসি প্রদীপ পুনরায় নির্যাতন চালায়।আমাকে যে রুমে রাখছিল,সেখানে প্রদীপ এসে আমার গলায় আবার পা পাড়া দিয়ে চেপে ধরছিল তার বুট জুতা দিয়ে। এমন ভাবে পা পাড়া দিচ্ছিল যেন আমি আমার রক্ত যখন টাইলসে পড়সে সেখানে রক্তের পিচ্চিলতাতে গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম… পরবর্তীতে মেডিক্যাল নিয়ে যায় লাইন হতে পুলিশ এসে,সেখানে মাসখানেক চিকিৎসা…তারপর…..
তারপর অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পুরে দেয়!  এখনো গুলির ক্ষত,যন্ত্রণা নিয়ে আছি।আলহামদুলিল্লাহ রক্ত দিয়ে হলেও জালিম বিদায় করেছি.. ১৩ সালের আওয়ামী নির্যাতনের
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
৪৬৬০ বার পড়া হয়েছে

২০১৩-র ৫ ফেব্রুয়ারির কাতালগঞ্জ: ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে গুলি ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
সময়টা ২০১৩ সালের ৫ ই ফেব্রুয়ারী..
সেদিন ছিল জামায়াত নেতা শহীদ কাদের মোল্লা সাহেবের রায়ের দিন।রায় পরবর্তী দুপুর ২ টায় তৎকালীন ওসি পাঁচলাইশ থানার কুখ্যাত প্রদীপ কুমার দাস ছবিতে যে আমাকে গুলি করে আনতেছিল!
আমাকে গ্রেপ্তার করে হ্যান্ডকাফ পড়ানোর পরে দু,পায়ে ঠান্ডা মাথায় পিস্তল দিয়ে ৬ রাউন্ড গুলি করে দেয়। গুলি করার পর ছয় তলা ভবনের ছাদে নিয়ে গিয়ে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলতে চায়, ততোক্ষণে চ্যানেল-২৪, NTV,তৎকালীন আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিকরা চলে আসে। ছবিতে দৃশ্যমান… কিছু পুলিশ বলতেছিল স্যার মাথা ঠান্ডা করেন,আমরা তাকে নিয়ে যায়,আপনি শান্ত হোন। আমাকে যে গুলি করতেছিল সে সময় আগুনের গোলা বের হচ্ছিল বন্দুক দিয়ে। ২ পা অবশ ছিল… এই অবস্থায় সব চ্যানেল লাইভ টেলিকাস্টে গেলে আমাকে প্রদীপ কিছু চাকমা ডিবির হাতে তুলে দেয়। তারা ৬ তলায় পুনরায় রাইফেলের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে,তখন মাথা পেটে আমার নাক,মুখ বেয়ে রক্ত ঝরছিল। এই রক্তাক্ত শরীরে তারা আমাকে লাঠির আঘাত,বন্দুকের আঘাত এবং লাথি মেরে মেরে উল্টিয়ে উল্টিয়ে নিচে নিয়ে আসে।নিচে আনার পরে ওসি প্রদীপ আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ধরে থানায় নিচ্ছিল ছবিতে দেখা যাচ্ছে। সেদিন কাতালগঞ্জের ঘটনা এটা…
থানায় নিয়ে ৩০ মিনিট আমার উপর ওসি প্রদীপ পুনরায় নির্যাতন চালায়।আমাকে যে রুমে রাখছিল,সেখানে প্রদীপ এসে আমার গলায় আবার পা পাড়া দিয়ে চেপে ধরছিল তার বুট জুতা দিয়ে। এমন ভাবে পা পাড়া দিচ্ছিল যেন আমি আমার রক্ত যখন টাইলসে পড়সে সেখানে রক্তের পিচ্চিলতাতে গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম… পরবর্তীতে মেডিক্যাল নিয়ে যায় লাইন হতে পুলিশ এসে,সেখানে মাসখানেক চিকিৎসা…তারপর…..
তারপর অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পুরে দেয়!  এখনো গুলির ক্ষত,যন্ত্রণা নিয়ে আছি।আলহামদুলিল্লাহ রক্ত দিয়ে হলেও জালিম বিদায় করেছি.. ১৩ সালের আওয়ামী নির্যাতনের