দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টে একটি দল উঠেপড়ে লেগেছে: তারেক রহমান
একটি দল দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তে বিএনপির উদ্যোগে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক সপ্তাহব্যাপী কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন। দেশ একটা অত্যন্ত সংকটেরস ভেতর দিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমরা দেখেছি, গত এক বছরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা হুমকি দিয়েছে প্রকাশ্যে। যে প্রত্যাশিত নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে, সে নির্বাচনকে তারা হতে দেবে না। বাধাগ্রস্ত করবে বলে প্রকাশ্যের হুমকি দিয়েছে। একটি দল-গোষ্ঠী বা কিছু ব্যক্তি এই দেশকে, দেশের মানুষের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
তিনি বলেন, এ কারণেই জাতীয়তাবাদী দল এবং একই সঙ্গে যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন, দল ছোট বড় বিষয় না। যারা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের অস্তিত্বে এবং বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে- সবার আগে বাংলাদেশ, এই নীতিতে যারা বিশ্বাস করে, আমাদের প্রত্যেকটি দল, প্রত্যেকটি নেতা, প্রত্যেকটি কর্মী এবং প্রত্যেকটি মানুষকে আজ অতীতের যেকোনো সময় থেকে সব চাইতে বেশি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যারা এই দেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করতে চায়, এই দেশের সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করে, এই দেশের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করতে চায়- তারা তাদের ষড়যন্ত্র যে শুরু করে দিয়েছে, আজকে ওসমান হাদির ওসমান হাদির ঘটনা দিয়ে তা প্রমাণিত হয়।
তারেক রহমান বলেন, কিছুক্ষণ আগে, ঘন্টা দুই আড়াই আগে- বাংলাদেশে ঢাকায় একটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জঘন্য একটি ঘটনা ঘটেছে। ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদিকে তাকে গুলি করা হয়েছে। তার উপরে গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি, চট্টগ্রামে একইভাবে আমাদের আরেক প্রার্থীকে গুলি করা হয়েছিল। আমি এই ঘটনার জন্য তীব্র ঘৃণা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের উচিত হবে সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে যত মানুষ আছে, প্রত্যেকটি মানুষের উচিত হবে-এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং ঘৃণা জানানোর। আজকের এই অনুষ্ঠান থেকে আমরা এই ঘটনার প্রতি তীব্র ঘৃণা এবং প্রতিবাদ জানাই।






















