ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; গ্রেপ্তার ২ Logo খুলশীতে যৌথ অভিযানে ৬৩ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার Logo দেশের সব জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা Logo ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ Logo তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সাংবাদিকের ওপর হামলা Logo বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা, বাড়ছে বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিয়ে শঙ্কা Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চালু হবে ইলেকট্রিক ট্রেন Logo কক্সবাজারে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেপ্তার Logo চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জনের ঘোষণা আইনজীবীদের Logo জ্বালানিমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জের বাড়িতে বজ্রপাতে আগুন

৮৯ বছর বয়সে না ফেরার দেশে অভিনেতা ধর্মেন্দ্র

নিজস্ব সংবাদ :

চলে গেলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। গতকাল সকালে নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতার কারণে চলতি মাসের শুরুতেই মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। এরপর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। তার মৃত্যুতে ভারত জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহশিল্পী, ভক্ত ও চলচ্চিত্র অঙ্গন কিংবদন্তির প্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। ১৯৬০ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ধর্মেন্দ্র’র। খুব দ্রুতই তিনি বলিউডের শীর্ষ তারকায় পরিণত হন। রোমান্টিক নায়ক থেকে শুরু করে অ্যাকশন হিরো- সব ধরনের চরিত্রে সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন তিন শতাধিক ছবিতে; যার মধ্যে অনেক ছবি এখন বলিউড ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত। তার বিখ্যাত চরিত্রের কথা বলতে গেলে সবার আগে আসে ‘শোলে’ ছবির ‘বীরু’র নাম। এ ছাড়া, ‘ফুল অউর পাথর’, ‘সীতা অউর গীতা’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘প্রতিজ্ঞা’- সবই তার ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল মাইলফলক। ১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে প্রদান করা হয় ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ প্রদান করেন। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ২০২৪ সালের ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ ছবিতে, যেখানে শহিদ কাপুরের দাদার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া, করণ জোহরের ‘রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি’ ছবিতেও তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা পায়। শিগগিরই মুক্তি পেতে যাওয়া ‘ইক্কিস’ ছবিতে অগস্ত্য নন্দার দাদার ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। এ ছবিটিই হবে তার শেষ অভিনীত কাজ। ধর্মেন্দ্র’র পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর, দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে এশা দেওল ও অহনা দেওল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
৪৬৯৫ বার পড়া হয়েছে

৮৯ বছর বয়সে না ফেরার দেশে অভিনেতা ধর্মেন্দ্র

আপডেট সময় ০৩:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

চলে গেলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। গতকাল সকালে নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতার কারণে চলতি মাসের শুরুতেই মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। এরপর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। তার মৃত্যুতে ভারত জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহশিল্পী, ভক্ত ও চলচ্চিত্র অঙ্গন কিংবদন্তির প্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। ১৯৬০ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ধর্মেন্দ্র’র। খুব দ্রুতই তিনি বলিউডের শীর্ষ তারকায় পরিণত হন। রোমান্টিক নায়ক থেকে শুরু করে অ্যাকশন হিরো- সব ধরনের চরিত্রে সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন তিন শতাধিক ছবিতে; যার মধ্যে অনেক ছবি এখন বলিউড ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত। তার বিখ্যাত চরিত্রের কথা বলতে গেলে সবার আগে আসে ‘শোলে’ ছবির ‘বীরু’র নাম। এ ছাড়া, ‘ফুল অউর পাথর’, ‘সীতা অউর গীতা’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘প্রতিজ্ঞা’- সবই তার ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল মাইলফলক। ১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে প্রদান করা হয় ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ প্রদান করেন। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ২০২৪ সালের ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ ছবিতে, যেখানে শহিদ কাপুরের দাদার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া, করণ জোহরের ‘রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি’ ছবিতেও তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা পায়। শিগগিরই মুক্তি পেতে যাওয়া ‘ইক্কিস’ ছবিতে অগস্ত্য নন্দার দাদার ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। এ ছবিটিই হবে তার শেষ অভিনীত কাজ। ধর্মেন্দ্র’র পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর, দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে এশা দেওল ও অহনা দেওল।