ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

আল্ট্রাসনোগ্রাম- ডেলিভারির আগ মুহূর্তে /না? প্রেগনেন্সির শুরুতেই!!

নিজস্ব সংবাদ :

মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে সুস্মিতা- পিরিয়ড বন্ধ দুই মাস হয়ে গেছে, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, এমনকি প্রেগনেন্সি টেস্টও পজেটিভ এসেছে। কিন্তু সে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে, বুঝতে পারছে না কখন ডাক্তারকে দেখাবে- শুরুতেই না ৫-৬ মাস পরে? এমন দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনেকের মাঝেই কাজ করে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে: প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসার পর থেকেই হবু মায়ের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। তার নিজস্ব সুস্থতার পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করার দায়িত্বও তার ওপর চলে আসে। তাই প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই মা হওয়ার প্রস্তুতি নেয়া উচিত।

প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন:
 ইকটপিক প্রেগনেন্সি (জরায়ুর বাইরে ভ্রƒণের অবস্থান),
 ব্লাইটেড ওভাম,
 মোলার প্রেগনেন্সি,
 মিসড এবরশন ইত্যাদি।
এ ছাড়া আরও নানা জটিলতা হতে পারে। তাই শুরু থেকেই যতটা সম্ভব সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
পিরিয়ড মিস হওয়ার দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। সেই সঙ্গে একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো খুবই প্রয়োজনীয়। অনেকের মনে হতে পারে, প্রেগনেন্সির শেষদিকে বা ডেলিভারির আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই হবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। প্রথম তিন মাসে যদি সঠিক সময়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা না হয়, তবে নানা ধরনের জটিলতা নির্ণয় করা
কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার মাধ্যমে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় তা হলো:

 গর্ভাবস্থা নিশ্চিতকরণ (কনসেপশন),
 গর্ভস্থ শিশুর অবস্থান (জরায়ুর মধ্যে ঠিকভাবে সংস্থাপিত হয়েছে কিনা),
 ভ্রƒণ ও হার্টবিটের উপস্থিতি,
 ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ।
এই সব তথ্য মায়ের এবং ভ্রƒণের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং,
প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই সঠিক সময়ে ডাক্তারকে দেখানো এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো অপরিহার্য। পিরিয়ড মিস হওয়ার দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও
আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিজের ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক
ডা. সাজেদা রুমানা আহমেদ
কনসালটেন্ট, নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড আল্ট্রাসাউন্ড স্পেশালিস্ট
চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, কচুক্ষেত শাখা
হটলাইন: ১০৬৭২, ০৯৬১০১০০৯৯৯

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৩০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
৪৬৭৫ বার পড়া হয়েছে

আল্ট্রাসনোগ্রাম- ডেলিভারির আগ মুহূর্তে /না? প্রেগনেন্সির শুরুতেই!!

আপডেট সময় ০৫:৩০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে সুস্মিতা- পিরিয়ড বন্ধ দুই মাস হয়ে গেছে, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, এমনকি প্রেগনেন্সি টেস্টও পজেটিভ এসেছে। কিন্তু সে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে, বুঝতে পারছে না কখন ডাক্তারকে দেখাবে- শুরুতেই না ৫-৬ মাস পরে? এমন দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনেকের মাঝেই কাজ করে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে: প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসার পর থেকেই হবু মায়ের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। তার নিজস্ব সুস্থতার পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করার দায়িত্বও তার ওপর চলে আসে। তাই প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই মা হওয়ার প্রস্তুতি নেয়া উচিত।

প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন:
 ইকটপিক প্রেগনেন্সি (জরায়ুর বাইরে ভ্রƒণের অবস্থান),
 ব্লাইটেড ওভাম,
 মোলার প্রেগনেন্সি,
 মিসড এবরশন ইত্যাদি।
এ ছাড়া আরও নানা জটিলতা হতে পারে। তাই শুরু থেকেই যতটা সম্ভব সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
পিরিয়ড মিস হওয়ার দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। সেই সঙ্গে একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো খুবই প্রয়োজনীয়। অনেকের মনে হতে পারে, প্রেগনেন্সির শেষদিকে বা ডেলিভারির আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই হবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। প্রথম তিন মাসে যদি সঠিক সময়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা না হয়, তবে নানা ধরনের জটিলতা নির্ণয় করা
কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার মাধ্যমে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় তা হলো:

 গর্ভাবস্থা নিশ্চিতকরণ (কনসেপশন),
 গর্ভস্থ শিশুর অবস্থান (জরায়ুর মধ্যে ঠিকভাবে সংস্থাপিত হয়েছে কিনা),
 ভ্রƒণ ও হার্টবিটের উপস্থিতি,
 ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ।
এই সব তথ্য মায়ের এবং ভ্রƒণের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং,
প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই সঠিক সময়ে ডাক্তারকে দেখানো এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো অপরিহার্য। পিরিয়ড মিস হওয়ার দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও
আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিজের ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক
ডা. সাজেদা রুমানা আহমেদ
কনসালটেন্ট, নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড আল্ট্রাসাউন্ড স্পেশালিস্ট
চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, কচুক্ষেত শাখা
হটলাইন: ১০৬৭২, ০৯৬১০১০০৯৯৯