ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জামিন পেলেন এমপি ‘আমির হামজা‘ Logo প্রথমবারের মত চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ Logo ‘অক্ষত‘ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ধার করে নকল তৈরিতে মরিয়া ইরান Logo বিরোধীদলের ‘অস্থিরতা’ নিয়ে মন্তব্যে সংসদে উত্তাপ Logo শেরেবাংলা ছিলেন সর্বভারতীয় রাজনীতির অবিসংবাদিত নেতা: প্রধানমন্ত্রী Logo একনেক সভায় ১৫ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo সাভারে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে পুনরায় তদন্ত Logo প্রশাসনে বড় রদবদলঃ গুরুত্বপূর্ণ ১৫ দপ্তরে নতুন প্রধান নিয়োগ Logo দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত: নিহত ১৩, আহত কয়েকজন Logo গুপ্ত ইস্যুতে মুখ খুললেন সর্ব মিত্র চাকমা

আল্ট্রাসনোগ্রাম- ডেলিভারির আগ মুহূর্তে /না? প্রেগনেন্সির শুরুতেই!!

নিজস্ব সংবাদ :

মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে সুস্মিতা- পিরিয়ড বন্ধ দুই মাস হয়ে গেছে, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, এমনকি প্রেগনেন্সি টেস্টও পজেটিভ এসেছে। কিন্তু সে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে, বুঝতে পারছে না কখন ডাক্তারকে দেখাবে- শুরুতেই না ৫-৬ মাস পরে? এমন দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনেকের মাঝেই কাজ করে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে: প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসার পর থেকেই হবু মায়ের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। তার নিজস্ব সুস্থতার পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করার দায়িত্বও তার ওপর চলে আসে। তাই প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই মা হওয়ার প্রস্তুতি নেয়া উচিত।

প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন:
 ইকটপিক প্রেগনেন্সি (জরায়ুর বাইরে ভ্রƒণের অবস্থান),
 ব্লাইটেড ওভাম,
 মোলার প্রেগনেন্সি,
 মিসড এবরশন ইত্যাদি।
এ ছাড়া আরও নানা জটিলতা হতে পারে। তাই শুরু থেকেই যতটা সম্ভব সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
পিরিয়ড মিস হওয়ার দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। সেই সঙ্গে একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো খুবই প্রয়োজনীয়। অনেকের মনে হতে পারে, প্রেগনেন্সির শেষদিকে বা ডেলিভারির আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই হবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। প্রথম তিন মাসে যদি সঠিক সময়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা না হয়, তবে নানা ধরনের জটিলতা নির্ণয় করা
কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার মাধ্যমে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় তা হলো:

 গর্ভাবস্থা নিশ্চিতকরণ (কনসেপশন),
 গর্ভস্থ শিশুর অবস্থান (জরায়ুর মধ্যে ঠিকভাবে সংস্থাপিত হয়েছে কিনা),
 ভ্রƒণ ও হার্টবিটের উপস্থিতি,
 ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ।
এই সব তথ্য মায়ের এবং ভ্রƒণের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং,
প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই সঠিক সময়ে ডাক্তারকে দেখানো এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো অপরিহার্য। পিরিয়ড মিস হওয়ার দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও
আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিজের ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক
ডা. সাজেদা রুমানা আহমেদ
কনসালটেন্ট, নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড আল্ট্রাসাউন্ড স্পেশালিস্ট
চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, কচুক্ষেত শাখা
হটলাইন: ১০৬৭২, ০৯৬১০১০০৯৯৯

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৩০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
৪৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

আল্ট্রাসনোগ্রাম- ডেলিভারির আগ মুহূর্তে /না? প্রেগনেন্সির শুরুতেই!!

আপডেট সময় ০৫:৩০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

মিষ্টি স্বভাবের মেয়ে সুস্মিতা- পিরিয়ড বন্ধ দুই মাস হয়ে গেছে, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, এমনকি প্রেগনেন্সি টেস্টও পজেটিভ এসেছে। কিন্তু সে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে, বুঝতে পারছে না কখন ডাক্তারকে দেখাবে- শুরুতেই না ৫-৬ মাস পরে? এমন দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনেকের মাঝেই কাজ করে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে: প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসার পর থেকেই হবু মায়ের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। তার নিজস্ব সুস্থতার পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করার দায়িত্বও তার ওপর চলে আসে। তাই প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই মা হওয়ার প্রস্তুতি নেয়া উচিত।

প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন:
 ইকটপিক প্রেগনেন্সি (জরায়ুর বাইরে ভ্রƒণের অবস্থান),
 ব্লাইটেড ওভাম,
 মোলার প্রেগনেন্সি,
 মিসড এবরশন ইত্যাদি।
এ ছাড়া আরও নানা জটিলতা হতে পারে। তাই শুরু থেকেই যতটা সম্ভব সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
পিরিয়ড মিস হওয়ার দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। সেই সঙ্গে একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো খুবই প্রয়োজনীয়। অনেকের মনে হতে পারে, প্রেগনেন্সির শেষদিকে বা ডেলিভারির আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই হবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। প্রথম তিন মাসে যদি সঠিক সময়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা না হয়, তবে নানা ধরনের জটিলতা নির্ণয় করা
কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
প্রেগনেন্সির প্রথম তিন মাসের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার মাধ্যমে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় তা হলো:

 গর্ভাবস্থা নিশ্চিতকরণ (কনসেপশন),
 গর্ভস্থ শিশুর অবস্থান (জরায়ুর মধ্যে ঠিকভাবে সংস্থাপিত হয়েছে কিনা),
 ভ্রƒণ ও হার্টবিটের উপস্থিতি,
 ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ।
এই সব তথ্য মায়ের এবং ভ্রƒণের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং,
প্রেগনেন্সির শুরু থেকেই সঠিক সময়ে ডাক্তারকে দেখানো এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো অপরিহার্য। পিরিয়ড মিস হওয়ার দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও
আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিজের ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক
ডা. সাজেদা রুমানা আহমেদ
কনসালটেন্ট, নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড আল্ট্রাসাউন্ড স্পেশালিস্ট
চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, কচুক্ষেত শাখা
হটলাইন: ১০৬৭২, ০৯৬১০১০০৯৯৯