সংবিধান মেনেই হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ: আইনমন্ত্রী
সরকার সংবিধান মেনেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে নিয়োগ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে হুমায়ুন কবির তাঁর দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, আইনে যা বলা আছে, সেটি আছে। সরকার যা করেছে, তা সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে সংবিধানের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। সাংবিধানিকভাবেই হুমায়ুন কবিরকে শপথ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টিকে তিনি ‘ডিমিং ক্লজ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
গত ২১ আগস্ট টেকনোক্র্যাট হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পাওয়ার পর হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরদিন সোমবার সাংবাদিকরা তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করেন। তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চান, এ নিয়ে কে নিউজ করেছে এবং কার এত জ্বালা।
এর আগে গত শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
এদিকে দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা, পুনর্বাসন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা।






















