১৫ আগস্ট উপলক্ষে জবি ছাত্রলীগের ব্যানার টানানো
১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগ। এ উপলক্ষে ক্যাম্পাসের তৃতীয় গেটসংলগ্ন বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে ‘শোক থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে প্রত্যাবর্তন’ স্লোগানসংবলিত একটি ব্যানার টানানো হয়েছে।
শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেটসংলগ্ন বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে ফুটওভার ব্রিজে এ ব্যানার টানান নিষিদ্ধ ঘোষিত শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান।
কর্মসূচি সম্পর্কে আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ বলেন, ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি গভীর শোকের দিন। এই দিন মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাস কখনো ভুলে যাওয়ার বিষয় নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে গভীর ক্ষত হয়ে আছে।
তিনি বলেন, ‘আজকের এই শোকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করা, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং গণতন্ত্র, মানবিকতা ও আইনের শাসনের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় করা। শোক আমাদের থামিয়ে দেবে না, শোক আমাদের জাগাবে। জাগরণ আমাদের ঐক্যবদ্ধ করবে। আর সেই জাগরণ থেকেই আসবে ন্যায়, সত্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রত্যাবর্তন।’
নিষিদ্ধ ঘোষিত জবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান বলেন, ‘১৫ আগস্ট আমাদের রাজনীতির ক্যালেন্ডারে শুধু একটি শোকের দিন নয়; এটি ক্ষমতা, ষড়যন্ত্র ও ইতিহাসের নির্মম বাস্তবতার একটি সতর্কবার্তা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তাঁর আদর্শকে থামিয়ে দেওয়া যায়নি। কারণ আদর্শ কোনো ব্যক্তির জীবনে সীমাবদ্ধ থাকে না, তা প্রজন্মের চেতনায় বেঁচে থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকের প্রজন্মের ছাত্রলীগের দায়িত্ব শুধু অতীতের স্মরণ নয়; বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মানুষের অধিকারকে সামনে রেখে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণের সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়া। ১৫ আগস্টের শোক আমাদের শক্তি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমাদের রাজনৈতিক পথচলার প্রেরণা।’

























