ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; গ্রেপ্তার ২ Logo খুলশীতে যৌথ অভিযানে ৬৩ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার Logo দেশের সব জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা Logo ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ Logo তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সাংবাদিকের ওপর হামলা Logo বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা, বাড়ছে বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিয়ে শঙ্কা Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চালু হবে ইলেকট্রিক ট্রেন Logo কক্সবাজারে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেপ্তার Logo চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জনের ঘোষণা আইনজীবীদের Logo জ্বালানিমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জের বাড়িতে বজ্রপাতে আগুন

সামার দাভোসে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছে সরকার

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে কাজ করছে সরকার। ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

মঙ্গলবার চীনের দালিয়ানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম আয়োজিত সামার দাভোস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, সরকারপ্রধান হিসেবে এই প্রথম কোনো বৈশ্বিক সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, শীর্ষ ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ ও করপোরেট নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, এর আগে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিয়ে আলোচনা হয়।

মুখপাত্র জানান, সম্মেলনের ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জলবায়ু নেতৃত্ব’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখনন, পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকার পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়, বরং সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অপরিহার্য বিনিয়োগ।

মাহদী আমিন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সফল অভিজ্ঞতা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
৪৫৭২ বার পড়া হয়েছে

সামার দাভোসে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছে সরকার

আপডেট সময় ০৯:৩১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে কাজ করছে সরকার। ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

মঙ্গলবার চীনের দালিয়ানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম আয়োজিত সামার দাভোস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, সরকারপ্রধান হিসেবে এই প্রথম কোনো বৈশ্বিক সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, শীর্ষ ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ ও করপোরেট নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, এর আগে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিয়ে আলোচনা হয়।

মুখপাত্র জানান, সম্মেলনের ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জলবায়ু নেতৃত্ব’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখনন, পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকার পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়, বরং সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অপরিহার্য বিনিয়োগ।

মাহদী আমিন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সফল অভিজ্ঞতা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।