ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

মন্ত্রণালয়ের পরিচয়ে বদলি-পদোন্নতির নামে প্রতারণা, দুজন গ্রেফতার

ডিএমপি সুত্র হতে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পরিচয় ব্যবহার করে কর্মকর্তাদের কাঙ্ক্ষিত ও লোভনীয় স্থানে বদলি ও পদোন্নতির প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— এম আমিনুর রহমান শান্ত (৪৪) এবং নিলুফা সুলতানা (৫৬)।

ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২০ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব কামরুল হাসান ডিএমপি কমিশনার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ডিএমপি কমিশনার অভিযোগটি অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অভিযোগে বলা হয়, এক ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পরিচয় দিয়ে কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যোগাযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদায়ন নিয়ে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের চেষ্টার তথ্যও পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম সম্পন্ন করার সক্ষমতা রয়েছে বলেও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হচ্ছিল।

অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম গোপন অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বুধবার রাত আনুমানিক ৯টা ৩৫ মিনিটে পশ্চিম রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতা এম আমিনুর রহমান শান্তকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা বিশ্লেষণ করে চক্রের আরও এক সদস্যের তথ্য পায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। পরে অভিযানে চক্রের সদস্য নিলুফা সুলতানাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে রমনা থানা-এ একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
৪৬০৪ বার পড়া হয়েছে

মন্ত্রণালয়ের পরিচয়ে বদলি-পদোন্নতির নামে প্রতারণা, দুজন গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পরিচয় ব্যবহার করে কর্মকর্তাদের কাঙ্ক্ষিত ও লোভনীয় স্থানে বদলি ও পদোন্নতির প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— এম আমিনুর রহমান শান্ত (৪৪) এবং নিলুফা সুলতানা (৫৬)।

ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২০ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব কামরুল হাসান ডিএমপি কমিশনার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ডিএমপি কমিশনার অভিযোগটি অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অভিযোগে বলা হয়, এক ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পরিচয় দিয়ে কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যোগাযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদায়ন নিয়ে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের চেষ্টার তথ্যও পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম সম্পন্ন করার সক্ষমতা রয়েছে বলেও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হচ্ছিল।

অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম গোপন অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বুধবার রাত আনুমানিক ৯টা ৩৫ মিনিটে পশ্চিম রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতা এম আমিনুর রহমান শান্তকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা বিশ্লেষণ করে চক্রের আরও এক সদস্যের তথ্য পায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। পরে অভিযানে চক্রের সদস্য নিলুফা সুলতানাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে রমনা থানা-এ একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।