ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জিসান প্রধানকে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার Logo আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ: ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম Logo অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যুর মামলায় স্বামীর এক দিনের রিমান্ড Logo চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাইলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে মৌজা রেট: অর্থমন্ত্রী Logo ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রণোদনা, ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত ব্যবসায়ীদের Logo বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই বিতর্ক, তিন লাল কার্ড দেখিয়ে আলোচনায় রেফারি সাম্পাইয়ো Logo ইসলামী ব্যাংকের আমানত নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই: গভর্নর Logo বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার বড় স্বস্তি, ফিট হয়ে অনুশীলনে ফিরলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

জাতীয় ঐকমত্যের সাক্ষী সেই কক্ষেই এখন মাহদী আমিনের দপ্তর

নিজস্ব সংবাদ :

নিজ দপ্তরে অভ্যাগতের জন্য চিঠি লিখে রেখে গিয়েছিলেন সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি মনির হায়দার। সেই চিঠি হাতে পেয়েছেন ড. মাহদী আমিন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ই এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এখানেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর। মাহদী আমিন যে দপ্তরে বসছেন সেখানে আগে বসতেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। বিদায়ের সময় তিনি অভ্যাগতের জন্য একটি চিঠি রেখে যান ওই দপ্তরে। সেটি হাতে পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন মাহদী আমিন। এ নিয়ে তিনি ফেসবুকে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচিত ছিল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় নামে। দেশের অসংখ্য মানুষের মতো সেই কার্যালয়কে ঘিরে আমারও ছিল আগ্রহ ও কৌতূহল। জাতীয় ঐকমত্য ও সামগ্রিক রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার ভাইয়ের অফিসে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল, যা ওই কার্যালয়েই অবস্থিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশের পর উপলব্ধি করলাম, মনির ভাইয়ের সেই অফিস কক্ষটিই কাকতালীয় বন্টনে আমার কর্মস্থলে পরিণত হয়েছে। বিস্ময়ের সঙ্গে তার একটি নোটও পেয়েছি, যা লিখার সময় তিনি নিজেও জানতেন না, একদিন সেটি আমার হাতে এসে পৌঁছাবে। আন্তরিকতা ও সম্প্রীতির এই ধারাই হোক নতুন রাজনীতির সৌন্দর্য্য। পোস্টে মনির হায়দারের হাতে লেখা চিঠি শেয়ার করেন মাহদী আমিন।

চিঠিটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রিয় শুভার্থী-
সালাম, অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা।
সশরীরে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে পারলে খুশি হতাম। সেই সুযোগ নেই। এক বছরের সরকারী দায়িত্ব পালনকালে এই কক্ষটি আমার অফিস হিসাবে ব্যবহার করেছি এবং সেই সূত্রে এটি বেশ কিছু ঐহিহাসিক কর্ম-প্রচেষ্টার নিরব সাক্ষী। এখানে বসেই বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ এবং অন্য সদস্যরা ঐতিহাসিক “জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫” প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলিতেও এই অফিস কক্ষটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দায়িত্ব পালনের সময় এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মীগণ সর্বোতভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আশা রাখছি, আপনার বেলায়ও তার ব্যতিক্রম হবে না। আপনার সুস্বাস্থ্য, সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও কল্যাণ প্রত্যাশী।
(মনির হায়দার)
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য)

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৪৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ঐকমত্যের সাক্ষী সেই কক্ষেই এখন মাহদী আমিনের দপ্তর

আপডেট সময় ১২:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজ দপ্তরে অভ্যাগতের জন্য চিঠি লিখে রেখে গিয়েছিলেন সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি মনির হায়দার। সেই চিঠি হাতে পেয়েছেন ড. মাহদী আমিন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ই এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এখানেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর। মাহদী আমিন যে দপ্তরে বসছেন সেখানে আগে বসতেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। বিদায়ের সময় তিনি অভ্যাগতের জন্য একটি চিঠি রেখে যান ওই দপ্তরে। সেটি হাতে পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন মাহদী আমিন। এ নিয়ে তিনি ফেসবুকে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচিত ছিল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় নামে। দেশের অসংখ্য মানুষের মতো সেই কার্যালয়কে ঘিরে আমারও ছিল আগ্রহ ও কৌতূহল। জাতীয় ঐকমত্য ও সামগ্রিক রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার ভাইয়ের অফিসে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল, যা ওই কার্যালয়েই অবস্থিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশের পর উপলব্ধি করলাম, মনির ভাইয়ের সেই অফিস কক্ষটিই কাকতালীয় বন্টনে আমার কর্মস্থলে পরিণত হয়েছে। বিস্ময়ের সঙ্গে তার একটি নোটও পেয়েছি, যা লিখার সময় তিনি নিজেও জানতেন না, একদিন সেটি আমার হাতে এসে পৌঁছাবে। আন্তরিকতা ও সম্প্রীতির এই ধারাই হোক নতুন রাজনীতির সৌন্দর্য্য। পোস্টে মনির হায়দারের হাতে লেখা চিঠি শেয়ার করেন মাহদী আমিন।

চিঠিটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রিয় শুভার্থী-
সালাম, অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা।
সশরীরে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে পারলে খুশি হতাম। সেই সুযোগ নেই। এক বছরের সরকারী দায়িত্ব পালনকালে এই কক্ষটি আমার অফিস হিসাবে ব্যবহার করেছি এবং সেই সূত্রে এটি বেশ কিছু ঐহিহাসিক কর্ম-প্রচেষ্টার নিরব সাক্ষী। এখানে বসেই বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ এবং অন্য সদস্যরা ঐতিহাসিক “জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫” প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলিতেও এই অফিস কক্ষটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দায়িত্ব পালনের সময় এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মীগণ সর্বোতভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আশা রাখছি, আপনার বেলায়ও তার ব্যতিক্রম হবে না। আপনার সুস্বাস্থ্য, সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও কল্যাণ প্রত্যাশী।
(মনির হায়দার)
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য)