দীর্ঘ ১৯ বছর পর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঢল
দীর্ঘ ১৯ বছর পর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেলেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে গুলশানের বাসভবন থেকে তার রওনা হওয়ার খবর শুনেই হাজার হাজার নেতাকর্মী নয়াপল্টনে ভিড় জমান। মুহূর্তের মধ্যেই লোকারণ্য হয়ে পড়ে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনের সড়ক। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তারেক রহমানের গাড়িবহর যখন কার্যালয়ের সামনে পৌঁছায় তখন হাজার হাজার নেতাকর্মী উল্লাসে ফেটে পড়েন। তার গাড়ি ঘিরে নানা স্লোগানে নয়াপল্টন এলাকা মাতিয়ে তুলেন নেতাকর্মীরা। মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। তারেক রহমান হাত নেড়ে কর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। একপর্যায়ে জনতার ভিড়ের মধ্যে আটকে যায় তারেক রহমানের গাড়ি। ভিড় ঠেলে রাস্তা ফাঁকা করতে নিরাপত্তা কর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর তারেক রহমানের গাড়ি কার্যালয়ের ফটকে নিয়ে যান নিরাপত্তা কর্মীরা। গাড়ি থেকে নেমে কার্যালয়ের দোতলায় যান তিনি। এসময় দলের সিনিয়র নেতারা তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। বাইরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার নেতাকর্মীর অভিবাদনের জবাব দিতে দোতলার বারান্দায় চলে যান তারেক রহমান। মাইক হাতে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তিনি। এ সময় নেতাকর্মীদের বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি মানুষের ভোগান্তি এড়াতে রাস্তা ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমাদের যার যতটুকু অবস্থান আছে, সেখান থেকে আসুন- আমরা আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব আমরা সচেষ্ট হই। কোথাও যদি রাস্তায় এমনি কাগজ পড়ে থাকে, ময়লা হয়ে থাকে তখনই সেটাকে আমরা সরিয়ে দেবো। এভাবে ছোট ছোট কাজ করার মাধ্যমে দেশটাকে গড়ে তুলি।
নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এখন সকলকে অনুরোধ করবো, দ্রুত রাস্তাটাকে খালি করে দিন, যাতে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে পারে। সকলে ভালো থাকবেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন। তারেক রহমান বলেন, আজকে এখানে আমাদের কোনো অনুষ্ঠান নেই। আমরা যদি এই রাস্তাটা বন্ধ করে রাখি তাহলে সাধারণ মানুষের চলাচলের অসুবিধা হবে। যেহেতু কোনো অনুষ্ঠান নেই। সেজন্য যত দ্রুত সম্ভব আমরা যেন এখান থেকে চলে যাই। ইনশাআল্লাহ কর্মসূচি যখন নেবো তখন আপনাদের সামনে বক্তব্য রাখবো। সকলে দোয়া করবেন।





















