ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বুথফেরত সমীক্ষা ‘টাকা দিয়ে করানো’, দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। Logo সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুই মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন। Logo রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করার দাবি নাহিদ ইসলামের Logo শত্রুপক্ষ ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে, নতুন অস্ত্র নিয়ে ইরানের বার্তা Logo ঢাকা জেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শামীমা পারভীন শিল্পি Logo হরমুজে অবরোধ, পারস্য উপসাগরে আটকা ২০ হাজার নাবিক Logo চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত Logo উগান্ডায় অবৈধ অভিবাসন বিরোধী অভিযান: বাংলাদেশিসহ ২৩১ বিদেশি আটক Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদে আনার দাবি রুমিন ফারহানার Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ ক্রয়ে চুক্তি করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

এনবিআর কর কমিশনার কবির উদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ :

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল-১৭, ঢাকার কর কমিশনার কবির উদ্দিন মোল্লা চাকরি জীবনে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। কি নেই তার কাছে, খোদ রাজধানীতেই তিনটি ফ্লাট, বসুন্ধরায় প্লট, দামি গাড়ি, গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় কিনেছেন বিপুল সম্পত্তি। চাকরি জীবনে প্রাপ্ত বেতনের সাথে অস্বাভাবিক তার সম্পদ অর্জনের খতিয়ান। জ্ঞাত আয়ের সাথে মিল না থাকায় এসব সম্পদ অর্জনের প্রক্রিয়াকে অনেকেই অবৈধ উপায় বলে অভিযুক্ত করেন। রাজস্ব ফাকির মামলা থেকে একটি বড় কোম্পানিকে ছাড় দিয়ে তাদের কাছ কোটি কোটি টাকার প্লট হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কবির উদ্দিন মোল্লা ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫তম ব্যাচে সহকারী কর কমিশনার পদে এনবিআরের আয়কর বিভাগে যোগদান করেন। প্রায় ৩০ বছর চাকরি করে সরকারের কাছ থেকে সর্বসাকুল্যে বেতন পেয়েছেন দেড় থেকে দুই কোটি টাকা। কিন্তু হিসেব কষলে দেখা যায়, তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকা।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কবির উদ্দিন মোল্লার ছেলে সাদমান সাকিব আমেরিকায় বসবাস করেন। সেখানে ৩০ কোটি টাকা খরচ করে ছেলের জন্য সেকেন্ড হোম গড়ে দিয়েছেন। টাকা পাচারের মাধ্যমে ছেলেকে এই সম্পদ কিনে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কবির উদ্দিন মোল্লা প্রতি বছরই আমেরিকা, লন্ডন, জাপান, অষ্টেলিয়া, ইউরোপ, ইন্ডিয়া সহ বিশ্বের নামিদামি দেশে কোটি টাকার খরচ করে ভ্রমণ করেন। কবির উদ্দিনের ছেলে আমেরিকায় স্যাটেল্ড, সেখানে বাড়ী গাড়ি সবই তার আছে এবং জাপানেও রয়েছে তার বিপুল সম্পদ। কবির উদ্দিন মোল্লা পরিবারের ভোগ-বিলাসী জীবন ধারন, বিদেশ ভ্রমণ, সম্পদের বিবরণ ও ব্যাংক ব্যালেন্সের নথি ধরে অনুসন্ধান করলে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়াটি খোলসা হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের বিষয়ে কর কমিশনার কবির উদ্দিন মোল্লার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:১৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৬২২ বার পড়া হয়েছে

ধানের শীষে ভোট দিন

এনবিআর কর কমিশনার কবির উদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:১৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল-১৭, ঢাকার কর কমিশনার কবির উদ্দিন মোল্লা চাকরি জীবনে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। কি নেই তার কাছে, খোদ রাজধানীতেই তিনটি ফ্লাট, বসুন্ধরায় প্লট, দামি গাড়ি, গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় কিনেছেন বিপুল সম্পত্তি। চাকরি জীবনে প্রাপ্ত বেতনের সাথে অস্বাভাবিক তার সম্পদ অর্জনের খতিয়ান। জ্ঞাত আয়ের সাথে মিল না থাকায় এসব সম্পদ অর্জনের প্রক্রিয়াকে অনেকেই অবৈধ উপায় বলে অভিযুক্ত করেন। রাজস্ব ফাকির মামলা থেকে একটি বড় কোম্পানিকে ছাড় দিয়ে তাদের কাছ কোটি কোটি টাকার প্লট হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কবির উদ্দিন মোল্লা ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫তম ব্যাচে সহকারী কর কমিশনার পদে এনবিআরের আয়কর বিভাগে যোগদান করেন। প্রায় ৩০ বছর চাকরি করে সরকারের কাছ থেকে সর্বসাকুল্যে বেতন পেয়েছেন দেড় থেকে দুই কোটি টাকা। কিন্তু হিসেব কষলে দেখা যায়, তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকা।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কবির উদ্দিন মোল্লার ছেলে সাদমান সাকিব আমেরিকায় বসবাস করেন। সেখানে ৩০ কোটি টাকা খরচ করে ছেলের জন্য সেকেন্ড হোম গড়ে দিয়েছেন। টাকা পাচারের মাধ্যমে ছেলেকে এই সম্পদ কিনে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কবির উদ্দিন মোল্লা প্রতি বছরই আমেরিকা, লন্ডন, জাপান, অষ্টেলিয়া, ইউরোপ, ইন্ডিয়া সহ বিশ্বের নামিদামি দেশে কোটি টাকার খরচ করে ভ্রমণ করেন। কবির উদ্দিনের ছেলে আমেরিকায় স্যাটেল্ড, সেখানে বাড়ী গাড়ি সবই তার আছে এবং জাপানেও রয়েছে তার বিপুল সম্পদ। কবির উদ্দিন মোল্লা পরিবারের ভোগ-বিলাসী জীবন ধারন, বিদেশ ভ্রমণ, সম্পদের বিবরণ ও ব্যাংক ব্যালেন্সের নথি ধরে অনুসন্ধান করলে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়াটি খোলসা হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের বিষয়ে কর কমিশনার কবির উদ্দিন মোল্লার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।