ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এসব চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিগত সরকারের করা বিভিন্ন অনৈতিক ও রাষ্ট্রস্বার্থবিরোধী চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে বর্তমান সরকার। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়াই বিএনপি সরকারের মূলনীতি। এ ক্ষেত্রে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সরকার কাজ করছে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে চিফ হুইপ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে ভিড়লে আগে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজ খালাসের বিধান করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে এ ধরনের অসংখ্য দেশবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছি। দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।’
ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক।
দেশকে স্বাবলম্বী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করতে যা যা করার প্রয়োজন, বর্তমান সরকার ঠিক তা-ই করবে।’
ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর পর্যালোচনা শেষে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
























