ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এসব চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিগত সরকারের করা বিভিন্ন অনৈতিক ও রাষ্ট্রস্বার্থবিরোধী চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে বর্তমান সরকার। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়াই বিএনপি সরকারের মূলনীতি। এ ক্ষেত্রে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সরকার কাজ করছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে চিফ হুইপ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে ভিড়লে আগে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজ খালাসের বিধান করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে এ ধরনের অসংখ্য দেশবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা সেই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছি। দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।’

ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক।

দেশকে স্বাবলম্বী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করতে যা যা করার প্রয়োজন, বর্তমান সরকার ঠিক তা-ই করবে।’

ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর পর্যালোচনা শেষে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৫৫০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা চলছে: চিফ হুইপ

আপডেট সময় ০৮:২৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এসব চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিগত সরকারের করা বিভিন্ন অনৈতিক ও রাষ্ট্রস্বার্থবিরোধী চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে বর্তমান সরকার। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়াই বিএনপি সরকারের মূলনীতি। এ ক্ষেত্রে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সরকার কাজ করছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে চিফ হুইপ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে ভিড়লে আগে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজ খালাসের বিধান করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে এ ধরনের অসংখ্য দেশবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা সেই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছি। দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।’

ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক।

দেশকে স্বাবলম্বী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করতে যা যা করার প্রয়োজন, বর্তমান সরকার ঠিক তা-ই করবে।’

ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর পর্যালোচনা শেষে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।