ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ নিয়ে গবেষণার নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি

ঢাকা, বুধবার: মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিকিরণ (রেডিয়েশন) থেকে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি নিরূপণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)–এর মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)–কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞা–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)–এর করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

জানা যায়, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ মানুষ, পশুপাখি ও উদ্ভিদের ক্ষতির কারণ হতে পারে—এমন বিভিন্ন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ২০১৯ সালে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল হাইকোর্ট বিটিআরসিকে মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনের মাত্রা পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও আদালত প্রাঙ্গণসহ জনাকীর্ণ এলাকায় টাওয়ার স্থাপনে বিধিনিষেধ আরোপ করে নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান আদালতে তার পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন এবং পরে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল একটি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের মাত্রা কমানোর সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি এই বিকিরণের কারণে কী ধরনের ও কতটুকু ক্ষতি হচ্ছে, তা নিরূপণে বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এইচআরপিবির আইনজীবী মনজিল মোরসেদ গণমাধ্যমকে জানান, ওই সুপারিশের ভিত্তিতেই আদালত বিটিআরসিকে গবেষণা প্রকল্প হাতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘনবসতিপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় টাওয়ার স্থাপনে বিধিনিষেধ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল। অন্যদিকে বিটিআরসির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মনজুর নাহিদ

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৪৫৬১ বার পড়া হয়েছে

মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ নিয়ে গবেষণার নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় ০৮:২৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ঢাকা, বুধবার: মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিকিরণ (রেডিয়েশন) থেকে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি নিরূপণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)–এর মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)–কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞা–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)–এর করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

জানা যায়, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ মানুষ, পশুপাখি ও উদ্ভিদের ক্ষতির কারণ হতে পারে—এমন বিভিন্ন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ২০১৯ সালে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল হাইকোর্ট বিটিআরসিকে মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনের মাত্রা পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও আদালত প্রাঙ্গণসহ জনাকীর্ণ এলাকায় টাওয়ার স্থাপনে বিধিনিষেধ আরোপ করে নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান আদালতে তার পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন এবং পরে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল একটি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের মাত্রা কমানোর সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি এই বিকিরণের কারণে কী ধরনের ও কতটুকু ক্ষতি হচ্ছে, তা নিরূপণে বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এইচআরপিবির আইনজীবী মনজিল মোরসেদ গণমাধ্যমকে জানান, ওই সুপারিশের ভিত্তিতেই আদালত বিটিআরসিকে গবেষণা প্রকল্প হাতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘনবসতিপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় টাওয়ার স্থাপনে বিধিনিষেধ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল। অন্যদিকে বিটিআরসির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মনজুর নাহিদ