ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

রামেক হাসপাতালে লাশবাহী গাড়ির সিন্ডিকেট, জিম্মি রোগীর স্বজনরা

আবু কাওসার মাখন, রাজশাহী
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। চিকিৎসাসেবার মান আগের তুলনায় উন্নত হলেও দীর্ঘদিন ধরে লাশবাহী গাড়ির সিন্ডিকেট নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীর স্বজনরা। সরেজমিনে দেখা যায়, মেডিক্যাল কলেজ ও নার্সিং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দখল করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে লাশবাহী গাড়ি। এতে শিক্ষার্থী ও হাসপাতাল কর্মচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা জানান, এসব গাড়ির কারণে রাস্তা পরিষ্কার করতেও বাধা দেওয়া হয়, প্রতিবাদ করলে মারমুখী আচরণ করা হয়। নার্সিং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই এলাকায় নোংরা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে এবং নেশাগ্রস্তদের ভয়ে তারা কিছু বলতে পারছেন না।
রামেকের চিকিৎসকরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ডা. আমিনুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বলেন, মেডিক্যাল ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের রাস্তা দখল ও নোংরা হয়ে পড়া লজ্জাজনক। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, রোগী মারা গেলে সিন্ডিকেটের লোকজন বাইরে থেকে কোনো লাশবাহী গাড়ি ঢুকতে দেয় না। বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে ৮–১০ গুণ বেশি ভাড়া দিতে হয়। এতে শোকের মুহূর্তে তারা চরম আর্থিক ও মানসিক চাপে পড়েন। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এই সিন্ডিকেট চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় রামেক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। রামেক হাসপাতালে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম কে এই বিষয়ে জানতে  একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
৪৬৪২ বার পড়া হয়েছে

রামেক হাসপাতালে লাশবাহী গাড়ির সিন্ডিকেট, জিম্মি রোগীর স্বজনরা

আপডেট সময় ০১:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। চিকিৎসাসেবার মান আগের তুলনায় উন্নত হলেও দীর্ঘদিন ধরে লাশবাহী গাড়ির সিন্ডিকেট নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীর স্বজনরা। সরেজমিনে দেখা যায়, মেডিক্যাল কলেজ ও নার্সিং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দখল করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে লাশবাহী গাড়ি। এতে শিক্ষার্থী ও হাসপাতাল কর্মচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা জানান, এসব গাড়ির কারণে রাস্তা পরিষ্কার করতেও বাধা দেওয়া হয়, প্রতিবাদ করলে মারমুখী আচরণ করা হয়। নার্সিং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই এলাকায় নোংরা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে এবং নেশাগ্রস্তদের ভয়ে তারা কিছু বলতে পারছেন না।
রামেকের চিকিৎসকরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ডা. আমিনুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বলেন, মেডিক্যাল ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের রাস্তা দখল ও নোংরা হয়ে পড়া লজ্জাজনক। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, রোগী মারা গেলে সিন্ডিকেটের লোকজন বাইরে থেকে কোনো লাশবাহী গাড়ি ঢুকতে দেয় না। বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে ৮–১০ গুণ বেশি ভাড়া দিতে হয়। এতে শোকের মুহূর্তে তারা চরম আর্থিক ও মানসিক চাপে পড়েন। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এই সিন্ডিকেট চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় রামেক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। রামেক হাসপাতালে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম কে এই বিষয়ে জানতে  একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।