ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মোংলা বন্দরের পাশে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, ৬০ হাজার কর্মসংস্থানের লক্ষ্য Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি কে? Logo ভারত সফর হতে হবে সমতা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে: ডা. শফিকুর রহমান Logo রোববার এলএনজি কার্গো আসছে, গ্যাস সংকট কিছুটা কমার আশা Logo তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নিঃ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ Logo বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্ট-টাইম জব ও ক্যারিয়ার সেন্টার চালুর তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমীন Logo তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo এস এম গার্মেন্টস ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানের অনুপ্রেরণার গল্প Logo জুলাই গণআন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে চট্টগ্রামে ৮ শহীদ পরিবারের পাশে এ্যাব

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিদেশি কূটনীতিক, তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শপথের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

রাষ্ট্রপতির শপথ ও নতুন মন্ত্রীদের শপথকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মূল ভবনসহ পুরো বঙ্গভবন এলাকা সাজানো হয় নতুন সাজে।

এদিকে শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয় কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পোশাক ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করেন।

আমন্ত্রিত অতিথিদের নির্দিষ্ট পাস এবং কয়েক দফা গাড়ি তল্লাশির পর বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
৪৫০৬ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আপডেট সময় ১০:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিদেশি কূটনীতিক, তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শপথের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

রাষ্ট্রপতির শপথ ও নতুন মন্ত্রীদের শপথকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মূল ভবনসহ পুরো বঙ্গভবন এলাকা সাজানো হয় নতুন সাজে।

এদিকে শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয় কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পোশাক ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করেন।

আমন্ত্রিত অতিথিদের নির্দিষ্ট পাস এবং কয়েক দফা গাড়ি তল্লাশির পর বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।