ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ Logo জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, ভুল হলে সংশোধন করব: ডা. শফিকুর রহমান Logo জনগণই সরকারের ক্ষমতার মূল উৎস: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন Logo মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি বোমা উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল ডিএমপির বোমা স্কোয়াড Logo রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, হাত কেটে বিচ্ছিন্ন Logo পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান মমতার, ‘প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব’ Logo মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক। Logo উত্তরার সিরাজ মার্কেটে পারিবারিক কলহে ৭ মাসের শিশুসন্তানকে আছড়ে হত্যা, মাদকাসক্ত বাবা গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন অযোগ্যতার প্রস্তাব ইসির, আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হবে Logo বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড দিল আদালত

নিজস্ব সংবাদ :

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সাবেক পরিচালক এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউ এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিন দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত টাকা থেকে বিক্রেতাকে ৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন। এজন্য দুদক প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দন্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৪ মার্চ বিক্রেতা মো. আজহার খান তার নামে ৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেকের নামে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেয়ে সারওয়াত সিমিন খালেদের নামে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, সহযোগী ছিলেন সেটা জানার জন্য আসামির সাত দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
৪৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড দিল আদালত

আপডেট সময় ১০:২৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সাবেক পরিচালক এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউ এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিন দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত টাকা থেকে বিক্রেতাকে ৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন। এজন্য দুদক প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দন্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৪ মার্চ বিক্রেতা মো. আজহার খান তার নামে ৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেকের নামে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেয়ে সারওয়াত সিমিন খালেদের নামে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, সহযোগী ছিলেন সেটা জানার জন্য আসামির সাত দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।