ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সুখী জীবনের মন্ত্র শেখাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের মাওরি সংস্কৃতির ‘মানাআকিতাঙ্গা’ Logo আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ শব্দচয়ন ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ Logo সিরাজগঞ্জে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে যুবলীগের মিছিল, তদন্তের নির্দেশ ডিআইজির Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫৮১ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা-গাঁজাসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার Logo অপপ্রচার না করে জনগণের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিন: আমিনুল হক Logo টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চলবে: ডিএনসিসি প্রশাসক Logo স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪৬, বাড়তে পারে প্রাণহানি Logo ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের পক্ষে পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড দিল আদালত

নিজস্ব সংবাদ :

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সাবেক পরিচালক এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউ এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিন দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত টাকা থেকে বিক্রেতাকে ৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন। এজন্য দুদক প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দন্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৪ মার্চ বিক্রেতা মো. আজহার খান তার নামে ৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেকের নামে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেয়ে সারওয়াত সিমিন খালেদের নামে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, সহযোগী ছিলেন সেটা জানার জন্য আসামির সাত দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
৪৭৩৬ বার পড়া হয়েছে

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড দিল আদালত

আপডেট সময় ১০:২৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সাবেক পরিচালক এম এ খালেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও সংস্থাটির উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউ এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিন দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ খালেক দায়িত্বে থাকাকালে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারইস্টের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি ও বিল্ডিং ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত টাকা থেকে বিক্রেতাকে ৪৫ কোটি টাকা স্থানান্তর বা হস্তান্তর করেন। এজন্য দুদক প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দন্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৪ মার্চ বিক্রেতা মো. আজহার খান তার নামে ৫ কোটি টাকা, তার স্ত্রী সাবিহা খালেকের নামে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেয়ে সারওয়াত সিমিন খালেদের নামে ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মামলার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িত, সহযোগী ছিলেন সেটা জানার জন্য আসামির সাত দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।