ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা Logo এলপিজির কমিশন ও চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব, ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম হতে পারে ১,৯৭৬ টাকা Logo দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা

মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মাদকের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি উদ্যানে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না; এটি পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনীতির ওপরও গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুযায়ী দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাদক গ্রহণ করছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, মাদক পাচারকারী চক্র এখন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও এনক্রিপটেড যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা তরুণদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এ বাস্তবতায় মাদকের অপব্যবহার রোধে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এ নীতির আওতায় ধারাবাহিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মাদকের চাহিদা কমিয়ে আনতে পারলে উৎপাদন ও পাচারও স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পাবে। এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিলবোর্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার মানোন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
৪৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মাদকের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি উদ্যানে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না; এটি পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনীতির ওপরও গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুযায়ী দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাদক গ্রহণ করছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, মাদক পাচারকারী চক্র এখন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও এনক্রিপটেড যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা তরুণদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এ বাস্তবতায় মাদকের অপব্যবহার রোধে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এ নীতির আওতায় ধারাবাহিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মাদকের চাহিদা কমিয়ে আনতে পারলে উৎপাদন ও পাচারও স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পাবে। এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিলবোর্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার মানোন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।