ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অপরাধের পেছনে মাদক ও জুয়া মূল চালিকা শক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo হুতিদের ঠেকাতে সৌদি-ইসরায়েল গোয়েন্দা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা Logo সাংবাদিকতায় ১৭ বছরে তৈরি জঞ্জাল দূর করাই সরকারের লক্ষ্য: পার্থ Logo শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের গভীর উদ্দেশ্য আছে: রিজভী Logo গুজব রোধে ফ্যাক্ট চেক প্রচারের আহ্বান প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর Logo গুলশানে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল: ডিসি-ওসি প্রত্যাহার Logo ভাঙ্গায় প্রকাশ্যে গুলি: গুলশান থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার Logo ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্কে তিন প্রকল্প, ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ কোটি Logo ৭ মাসে রাষ্ট্রীয় মদদে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহদী আমিন Logo মেট্রোরেলের লাইনে কাপড়, দেড় ঘণ্টা ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন

শিশুদের ‘প্রশ্নবাণে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানালেন নিজের রোজা রাখার গল্প

নিজস্ব সংবাদ :

জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মসজিদের সামনে নামাজে আগত শিশু-কিশোরদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুরা নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। প্রধানমন্ত্রীও সাগ্রহে শিশুদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং পাল্টা প্রশ্ন করেন। এ সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে বলে বসলো, ‘আঙ্কেল, আপনি রোজা রাখেন?’ শিশুটির সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীও বললেন, ‘আমি? আমি তো রোজা রাখি।’ এরপর একে একে অন্য শিশুদের সঙ্গেও হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী। কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। বললেন, ‘তোমরা রোজা রাখো?’ সমস্বরে শিশুদের জবাব, ‘আমরাও রাখি।’

লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর থেকে এই মসজিদেই জুমার নামাজ পড়ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মসজিদে মহিলাদের জন্য আলাদা স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে শিশু-কিশোরদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় শিশুরা উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে।

এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিয়ে বলে, ‘আঙ্কেল আজকেরটা ছাড়া সব রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, ‘তাই!’ অপর পাশ থেকে আরেক শিশু বলে ওঠে, ‘আঙ্কেল আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তারও মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘ভেরি গুড।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে শিশুরা। পরে মসজিদ থেকে জুবাইদা রহমান বেরিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বলেন, আল্লাহ হাফেজ। এরপর স্ত্রীকে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৪৬৬০ বার পড়া হয়েছে

শিশুদের ‘প্রশ্নবাণে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানালেন নিজের রোজা রাখার গল্প

আপডেট সময় ০৩:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মসজিদের সামনে নামাজে আগত শিশু-কিশোরদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুরা নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। প্রধানমন্ত্রীও সাগ্রহে শিশুদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং পাল্টা প্রশ্ন করেন। এ সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে বলে বসলো, ‘আঙ্কেল, আপনি রোজা রাখেন?’ শিশুটির সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীও বললেন, ‘আমি? আমি তো রোজা রাখি।’ এরপর একে একে অন্য শিশুদের সঙ্গেও হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী। কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। বললেন, ‘তোমরা রোজা রাখো?’ সমস্বরে শিশুদের জবাব, ‘আমরাও রাখি।’

লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর থেকে এই মসজিদেই জুমার নামাজ পড়ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মসজিদে মহিলাদের জন্য আলাদা স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে শিশু-কিশোরদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় শিশুরা উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে।

এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিয়ে বলে, ‘আঙ্কেল আজকেরটা ছাড়া সব রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, ‘তাই!’ অপর পাশ থেকে আরেক শিশু বলে ওঠে, ‘আঙ্কেল আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তারও মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘ভেরি গুড।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে শিশুরা। পরে মসজিদ থেকে জুবাইদা রহমান বেরিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বলেন, আল্লাহ হাফেজ। এরপর স্ত্রীকে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।