ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে পর্যটক ও স্থানীয়রা Logo খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বহরে ককটেল নিক্ষেপ, আতঙ্কে ছুটোছুটি Logo ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ৩০ কারখানায় ছুটি Logo হেমন্তে আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা Logo ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল স্বর্ণের দাম Logo ৯ মাস পর অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি Logo এইচএসসির ফলাফলে দেশসেরা আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ Logo তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় দীপের চার দিনের রিমান্ড Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ফলপ্রসূ, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

শিশুদের ‘প্রশ্নবাণে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানালেন নিজের রোজা রাখার গল্প

নিজস্ব সংবাদ :

জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মসজিদের সামনে নামাজে আগত শিশু-কিশোরদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুরা নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। প্রধানমন্ত্রীও সাগ্রহে শিশুদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং পাল্টা প্রশ্ন করেন। এ সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে বলে বসলো, ‘আঙ্কেল, আপনি রোজা রাখেন?’ শিশুটির সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীও বললেন, ‘আমি? আমি তো রোজা রাখি।’ এরপর একে একে অন্য শিশুদের সঙ্গেও হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী। কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। বললেন, ‘তোমরা রোজা রাখো?’ সমস্বরে শিশুদের জবাব, ‘আমরাও রাখি।’

লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর থেকে এই মসজিদেই জুমার নামাজ পড়ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মসজিদে মহিলাদের জন্য আলাদা স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে শিশু-কিশোরদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় শিশুরা উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে।

এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিয়ে বলে, ‘আঙ্কেল আজকেরটা ছাড়া সব রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, ‘তাই!’ অপর পাশ থেকে আরেক শিশু বলে ওঠে, ‘আঙ্কেল আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তারও মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘ভেরি গুড।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে শিশুরা। পরে মসজিদ থেকে জুবাইদা রহমান বেরিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বলেন, আল্লাহ হাফেজ। এরপর স্ত্রীকে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৪৬৯৪ বার পড়া হয়েছে

শিশুদের ‘প্রশ্নবাণে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানালেন নিজের রোজা রাখার গল্প

আপডেট সময় ০৩:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মসজিদের সামনে নামাজে আগত শিশু-কিশোরদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুরা নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। প্রধানমন্ত্রীও সাগ্রহে শিশুদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং পাল্টা প্রশ্ন করেন। এ সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে বলে বসলো, ‘আঙ্কেল, আপনি রোজা রাখেন?’ শিশুটির সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীও বললেন, ‘আমি? আমি তো রোজা রাখি।’ এরপর একে একে অন্য শিশুদের সঙ্গেও হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী। কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। বললেন, ‘তোমরা রোজা রাখো?’ সমস্বরে শিশুদের জবাব, ‘আমরাও রাখি।’

লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর থেকে এই মসজিদেই জুমার নামাজ পড়ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মসজিদে মহিলাদের জন্য আলাদা স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে শিশু-কিশোরদের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় শিশুরা উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে।

এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিয়ে বলে, ‘আঙ্কেল আজকেরটা ছাড়া সব রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, ‘তাই!’ অপর পাশ থেকে আরেক শিশু বলে ওঠে, ‘আঙ্কেল আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী তারও মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘ভেরি গুড।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে শিশুরা। পরে মসজিদ থেকে জুবাইদা রহমান বেরিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বলেন, আল্লাহ হাফেজ। এরপর স্ত্রীকে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।