৭ মাসে রাষ্ট্রীয় মদদে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহদী আমিন
গত সাত মাসে রাষ্ট্রের মদদে বা সরকারের প্রশাসনিক কারণে কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে পড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
মঙ্গলবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, “গত সাত মাসে রাষ্ট্রের মদদে সরকারের প্রশাসনিক কারণে কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে আমার মনে পড়ে না। ‘রাষ্ট্রের মদদে’ এই কারণে বলছি, এর আগে আমরা দেখেছি একটি নির্দিষ্ট অফিস থেকে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের তালিকা করা হতো নিজ গৃহে, কিংবা সরাসরি হেফাজতে।”
তিনি বলেন, গত সাত মাসে সরকারের মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার ক্ষেত্রে যে ট্র্যাক রেকর্ড দেখা যাচ্ছে, সেখানে রাষ্ট্রীয় মদদে কিংবা রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। এই চর্চা ধরে রাখতে চান তারা।
মাহদী আমিন বলেন, “বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কিছু হয়ে থাকলে, বড় রাষ্ট্র পরিচালনায় তৃণমূল পর্যায়ে কোথাও ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। তবে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যখনই এ ধরনের তথ্য আসছে, সঙ্গে সঙ্গে তার সংশোধনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিচ্ছিন্ন কোনো ভুলভ্রান্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও এখন তার জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
দ্রুত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ
অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, প্রায় ১০০টি অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনে রূপান্তর করা হয়েছে। এত দ্রুত সময়ে এতগুলো আইন বাস্তবায়নের নজির আগে দেখা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে আমাদের সহকর্মীরা কথা বলেছেন। আমরা চেষ্টা করেছি, যারা আইন প্রণয়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাদের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে।”
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের অধ্যাদেশ ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কোনো আইন একবার প্রণয়ন করা হলেও তা সংশোধনের সুযোগ থাকে।
সিভিল সোসাইটির পরামর্শ নিয়ে আইনগুলোকে আরও কীভাবে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করা যায়, সে বিষয়েও কাজ করার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।























