ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অপরাধের পেছনে মাদক ও জুয়া মূল চালিকা শক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo হুতিদের ঠেকাতে সৌদি-ইসরায়েল গোয়েন্দা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা Logo সাংবাদিকতায় ১৭ বছরে তৈরি জঞ্জাল দূর করাই সরকারের লক্ষ্য: পার্থ Logo শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের গভীর উদ্দেশ্য আছে: রিজভী Logo গুজব রোধে ফ্যাক্ট চেক প্রচারের আহ্বান প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর Logo গুলশানে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল: ডিসি-ওসি প্রত্যাহার Logo ভাঙ্গায় প্রকাশ্যে গুলি: গুলশান থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার Logo ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্কে তিন প্রকল্প, ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ কোটি Logo ৭ মাসে রাষ্ট্রীয় মদদে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহদী আমিন Logo মেট্রোরেলের লাইনে কাপড়, দেড় ঘণ্টা ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন

ভাঙ্গায় প্রকাশ্যে গুলি: গুলশান থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

র‍্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযান, উদ্ধার পিস্তল ও প্রাইভেটকার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে প্রকাশ্যে প্রাইভেটকার থেকে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। পুলিশ, র‍্যাব-১০ ও র‍্যাব-১-এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে গুলি ছোড়ার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক ও তার সঙ্গে থাকা এক নারী রয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার মৌছামান্দ্রা গ্রামের মোতালেব গাজীর ছেলে হামিদুল গাজী (৪২) এবং তার সঙ্গে থাকা নারী রাজধানীর মিরপুরের বসুপাড়া এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে শিমু আক্তার তিশা (৩৫)।

ভাঙ্গা থানা-পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মুখে হাইওয়ে থানার সামনে গাড়ি পার্কিং করাকে কেন্দ্র করে হোটেলের কর্মীদের সঙ্গে হামিদুল গাজীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিজের প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে একটি পিস্তল বের করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সময় হোটেলের কর্মীসহ আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন। গুলি ছোড়ার পর হামিদুল তার সঙ্গে থাকা শিমুকে নিয়ে গাড়িতে করে গোপালগঞ্জের দিকে চলে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলায় হামিদুল গাজীকে প্রধান আসামি করা হয়।

মামলার পর হামিদুল ও শিমুকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার শনাক্ত করে র‍্যাব ও পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। প্রায় এক মাস পর মঙ্গলবার রাতে গুলশান এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গা থানা-পুলিশ তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার এবং মুন্সীগঞ্জ এলাকা থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধার করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আলোচিত এই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে বেশ কিছুদিন ধরে অভিযান চালানো হচ্ছিল। র‍্যাবের সহযোগিতায় হামিদুল ও তার সঙ্গে থাকা শিমুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ব্যবহৃত গাড়ি ও একটি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে সেগুলো পরে জানানো হবে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৫১০ বার পড়া হয়েছে

ভাঙ্গায় প্রকাশ্যে গুলি: গুলশান থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‍্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযান, উদ্ধার পিস্তল ও প্রাইভেটকার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে প্রকাশ্যে প্রাইভেটকার থেকে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। পুলিশ, র‍্যাব-১০ ও র‍্যাব-১-এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে গুলি ছোড়ার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক ও তার সঙ্গে থাকা এক নারী রয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার মৌছামান্দ্রা গ্রামের মোতালেব গাজীর ছেলে হামিদুল গাজী (৪২) এবং তার সঙ্গে থাকা নারী রাজধানীর মিরপুরের বসুপাড়া এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে শিমু আক্তার তিশা (৩৫)।

ভাঙ্গা থানা-পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মুখে হাইওয়ে থানার সামনে গাড়ি পার্কিং করাকে কেন্দ্র করে হোটেলের কর্মীদের সঙ্গে হামিদুল গাজীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিজের প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে একটি পিস্তল বের করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সময় হোটেলের কর্মীসহ আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন। গুলি ছোড়ার পর হামিদুল তার সঙ্গে থাকা শিমুকে নিয়ে গাড়িতে করে গোপালগঞ্জের দিকে চলে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলায় হামিদুল গাজীকে প্রধান আসামি করা হয়।

মামলার পর হামিদুল ও শিমুকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার শনাক্ত করে র‍্যাব ও পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। প্রায় এক মাস পর মঙ্গলবার রাতে গুলশান এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গা থানা-পুলিশ তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার এবং মুন্সীগঞ্জ এলাকা থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধার করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আলোচিত এই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে বেশ কিছুদিন ধরে অভিযান চালানো হচ্ছিল। র‍্যাবের সহযোগিতায় হামিদুল ও তার সঙ্গে থাকা শিমুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ব্যবহৃত গাড়ি ও একটি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে সেগুলো পরে জানানো হবে।’