মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ফের ১০০ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম
মার্কিন ও হুথি হামলার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। একপর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা ৭৪ পাউন্ড ছাড়িয়ে যায়।
জুলাইয়ের পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আর এতটা বাড়েনি। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও পরে তা ভেস্তে যায়।
মঙ্গলবার ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবের একটি তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি লোহিত সাগরে তেলবাহী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে তারা। এসব হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পরে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়ায়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ব্যাপক ওঠানামা হয়েছে। আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা আরও বেড়ে যাওয়ায় তেলের দামের ওপরও চাপ তীব্র হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার বা ৫২ পাউন্ড। পরে যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে হয়ে থাকে। ফলে হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
তেলের দাম বাড়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেট্রোলের দামও বেড়েছে। এতে গাড়িচালকদের জ্বালানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে এবং পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

























