ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিকাহ রেজিষ্ট্রার বিষয়ে একাধিক রিট, রিটকারী ও আইনজীবীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা Logo আগামী অর্থবছরের মধ্যে ৮ বিভাগে ক্যানসার হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ সেবা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত Logo অটোরিকশা বন্ধ নয়, ডিজিটাল নিবন্ধন ও ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত, আহত ১ Logo এসবি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি জহুরুলের ৫ দিনের রিমান্ড Logo বাল্যবিবাহ কোনো সমস্যার সমাধান নয়, বরং বড় সংকটের জন্ম দেয়: মাহ্দী আমিন Logo কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন পাসের পরিণতি শুভ হবে না: গোলাম পরওয়ার Logo পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় অভিযান, ৯০ হাজার ইয়াবা ও ৩৬ লাখ টাকাসহ আটক ৩ Logo এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রম ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে কর্মশালা

নিকাহ রেজিষ্ট্রার বিষয়ে একাধিক রিট, রিটকারী ও আইনজীবীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত একই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের এবং পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম ও আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে পৃথকভাবে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী মামলার তথ্য আদালতের কাছে গোপন করার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

আদালতে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, সিনিয়র আইনজীবী মো. শিশির মনির এবং আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ নুর আলম।

অভিযোগ রয়েছে, এসব রিট মামলা দায়েরের সময় একই বিষয়ে করা পূর্ববর্তী মামলাগুলোর তথ্য আদালতের কাছে গোপন করা হয়। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর শুনানিতে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত রিটকারী ও তার আইনজীবীকে জরিমানা করেন আপিল বিভাগ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৫০৪ বার পড়া হয়েছে

নিকাহ রেজিষ্ট্রার বিষয়ে একাধিক রিট, রিটকারী ও আইনজীবীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ১২:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত একই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের এবং পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম ও আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে পৃথকভাবে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার শুনানিতে একই বিষয়ে একাধিক রিট দায়েরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী মামলার তথ্য আদালতের কাছে গোপন করার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

আদালতে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, সিনিয়র আইনজীবী মো. শিশির মনির এবং আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ নুর আলম।

অভিযোগ রয়েছে, এসব রিট মামলা দায়েরের সময় একই বিষয়ে করা পূর্ববর্তী মামলাগুলোর তথ্য আদালতের কাছে গোপন করা হয়। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর শুনানিতে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত রিটকারী ও তার আইনজীবীকে জরিমানা করেন আপিল বিভাগ।