ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভারতের উপনির্বাচনে দুই আসনে বিজেপির ধাক্কা, প্রশান্ত কিশোরের চমক Logo অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের Logo এআই ক্যামেরার আওতায় আসছে মোটরসাইকেল, সামনেও লাগানো হবে নম্বর প্লেট Logo ‘বাংলাদেশ জনরাষ্ট্র আন্দোলন’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ Logo বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার Logo জীবদ্দশায় দান করা সম্পত্তি ভোগের অধিকার থাকবে, আইনের সংশোধনীতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন Logo দক্ষিণ নেপালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নিহত ৩, কারফিউ জারি Logo ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সবুজ শিল্পায়ন, সৌরবিদ্যুৎ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর Logo টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ তোরণে ফের অগ্নিসংযোগ, সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই

বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে পরিবহন অবকাঠামো, বিমান চলাচল এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জ্ঞান বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (এসআইআরপিএ) যৌথভাবে আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কমপারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান আঞ্চলিক সংযোগ জোরদার, বাণিজ্য, পর্যটন, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। জনগণের কল্যাণে টেকসই অবকাঠামো, বিমান চলাচল, পর্যটন ও উদ্ভাবনের উন্নয়নে চীনসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আরও বিস্তৃত সহযোগিতাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতের সমৃদ্ধি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করবে না; বরং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, সামাজিক সহনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মানের ওপরও নির্ভর করবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, গ্লোবাল সাউথভুক্ত দেশগুলো বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বিধিভিত্তিক এবং সব দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পক্ষে।

বহুপাক্ষিকতা ও শান্তিপূর্ণ সংলাপের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই টেকসই অগ্রগতি সম্ভব। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সমৃদ্ধি এনে দিলেও প্রজ্ঞা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়াই দীর্ঘমেয়াদে শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

তুলনামূলক শাসনব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গত চার দশকে চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের শেখার অনেক কিছু রয়েছে। তবে কোনো দেশের মডেল হুবহু অনুসরণ নয়, বরং সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তা নিজস্ব বাস্তবতা ও জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োগ করাই তুলনামূলক শাসনব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক চেন ঝিমিন এবং বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল রিদওয়ানুর রহমান।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে চীন প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যানবাহন, সৌরশক্তি, উন্নত উৎপাদনশিল্প এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন, আগামী ৫০ বছরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক অর্থনীতি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও সংযোগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

হুমায়ুন কবির বলেন, শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা, উৎপাদন খাতে সহযোগিতা, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্বিন্যাস এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে অংশীদারিত্ব কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ বৈঠক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন একটি সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে এবং ‘নিউ এরার জন্য বাংলাদেশ-চীন অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি’ ঘোষণার মাধ্যমে এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও বেশি জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে ভবিষ্যতের কৌশলগত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বিআইআইএসএস ও ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক ও নীতিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
৪৫০৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে পরিবহন অবকাঠামো, বিমান চলাচল এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জ্ঞান বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (এসআইআরপিএ) যৌথভাবে আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কমপারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান আঞ্চলিক সংযোগ জোরদার, বাণিজ্য, পর্যটন, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। জনগণের কল্যাণে টেকসই অবকাঠামো, বিমান চলাচল, পর্যটন ও উদ্ভাবনের উন্নয়নে চীনসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আরও বিস্তৃত সহযোগিতাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতের সমৃদ্ধি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করবে না; বরং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, সামাজিক সহনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মানের ওপরও নির্ভর করবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, গ্লোবাল সাউথভুক্ত দেশগুলো বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বিধিভিত্তিক এবং সব দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পক্ষে।

বহুপাক্ষিকতা ও শান্তিপূর্ণ সংলাপের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই টেকসই অগ্রগতি সম্ভব। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সমৃদ্ধি এনে দিলেও প্রজ্ঞা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়াই দীর্ঘমেয়াদে শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

তুলনামূলক শাসনব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গত চার দশকে চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের শেখার অনেক কিছু রয়েছে। তবে কোনো দেশের মডেল হুবহু অনুসরণ নয়, বরং সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তা নিজস্ব বাস্তবতা ও জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োগ করাই তুলনামূলক শাসনব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক চেন ঝিমিন এবং বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল রিদওয়ানুর রহমান।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে চীন প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যানবাহন, সৌরশক্তি, উন্নত উৎপাদনশিল্প এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন, আগামী ৫০ বছরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক অর্থনীতি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও সংযোগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

হুমায়ুন কবির বলেন, শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা, উৎপাদন খাতে সহযোগিতা, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্বিন্যাস এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে অংশীদারিত্ব কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ বৈঠক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন একটি সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে এবং ‘নিউ এরার জন্য বাংলাদেশ-চীন অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি’ ঘোষণার মাধ্যমে এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও বেশি জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে ভবিষ্যতের কৌশলগত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বিআইআইএসএস ও ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক ও নীতিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।